যোগী জীবন কাকে বলা হয় ?

যোগী জীবন কাকে বলা হয় ?*

উত্তর :-- যোগী জীবনের অর্থ নিরন্তর যোগী l যিনি নিরন্তর যোগী হবেন - তার খাওয়া - দাওয়া, চালচলনে বাবা আর শ্রেষ্ঠ আত্মা - এই স্মৃতিই থাকবে l বাবা যেমন, বাচ্চাও তেমন, যা বাবার গুণ তাই বাচ্চার গুণ, যা বাবার কাজ, বাচ্চারও তাই কাজ l একেই বলা হয় যোগী জীবন l এমন যোগী যে সদা এক লগনে মগ্ন থাকে, সেই সর্বদা খুশীতে থাকতে পারে l আর যে সর্বদা খুশীতে থাকে, সে দুঃখের দুনিয়ার প্রতি আকৃষ্ট হয় না l

🙏ওম শান্তি 🙏

🔆🔆🔆🔆🔆🔆🔆🔆🔆

স্বদর্শন বা স্বদর্শন চক্রধারীর অর্থ কি

প্রশ্ন :-- স্বদর্শন চক্র সর্বদা এক আঙ্গুলে দেখানো হয় l পাঁচ আঙ্গুল বা দুই আঙ্গুলে নয় l স্বদর্শন চক্রধারীর অর্থ কি ?*

উত্তর :-- এক আঙ্গুল অর্থাৎ একটাই সঙ্কল্প - "আমি বাবার আর বাবা আমার l" এক এই সঙ্কল্প রূপী এক আঙ্গুলেই স্ব দর্শন চক্র চলতে থাকে l

স্ব - দর্শন চক্রধারী অর্থাৎ স্ব - এর দর্শন করা আর সর্বদার জন্য প্রসন্ন চিত্ত থাকা l

প্রতিটি আত্মা স্বয়ং সর্বজ্ঞ এবং আনন্দম

ওম শান্তি 🙏

*প্রতিটি আত্মা স্বয়ং সর্বজ্ঞ এবং আনন্দময় -----আনন্দ কখনো বাইরে থেকে আসে না, কোনো ব্যক্তি অথবা বস্তুর থেকেও প্রাপ্ত করা যায় না ----বাইরের দুনিয়ায় আনন্দের খোঁজ করাই হলো সবথেকে বড় দুঃখের কারণ ।*

🌻🌻 *বি.কে.সিস্টার শিবানী*🌻🌻

🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀

সম্পর্ক মন থেকে হওয়া উচিত

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯

✨🌹✨অাজকের প্রেরণা ✨🌹✨

*সম্পর্ক মন থেকে হওয়া উচিত, কেবল কথায় নয়, তেমনই ক্রোধও মুখ পর্যন্তই থাকা উচিত, হৃদয়ে নয় ।*

🌹🌹 *আজ থেকে আমরা যেন মন থেকে সবাইকে ভালোবাসতে পারি -----*

☘☘মধুবন ☘☘

☀❣☀❣☀❣☀❣☀❣☀

শ্রেষ্ঠ কর্ম কি? পাপকর্ম কি?

অাজকের মিষ্টি মোতি*💧

১৪ ই আগস্ট :-- *শ্রেষ্ঠ কর্ম হলো তাই, যা সুখের অনুভব করায়, আর যা দুঃখের অনুভব করায় তা পাপকর্ম ।*

🙏🙏ওম শান্তি 🙏🙏

🌹🌹ব্রহ্মাকুমারীজ 🌹🌹

💧💧💧💧💧💧💧

স্বচিন্তনের দ্বারাই শুভ চিন্তন করা সম্ভব হয়।

ওম শান্তি 🙏

*স্বচিন্তনের দ্বারাই শুভ চিন্তন করা সম্ভব হয়।*

💫 মিষ্টি বাবা সবসময় বলতেন, *"CHARITY BEGINS AT HOME"* অর্থাৎ *"প্রথমে স্ব-সেবা করো"*।

⭐ নিজেকে জিজ্ঞাসা করো যে, "আমি কখনো অপরের প্রতি ভালো/ শুভ চিন্তা করি?
যখন আমি শুভ ভাবনা দিয়ে ভরপুর থাকি..... সন্তুষ্ট থাকি......।

*স্ব চিন্তন অর্থাৎ আত্মপর্যবেক্ষণ*, নিজের মধ্যে যা কিছু ঘাটতি - দুর্বলতা আছে, সেগুলিকে বাবার শ্রীমত অনুসারেই পরিবর্তন করা.......।

নিজের দৃষ্টিকোণকে পরিবর্তন করো। এটা সত্য যে, দেহধারী লৌকিক আত্মীয় - সম্বন্ধী, মিত্র - পরিবার, এরা প্রত্যেককেই মিষ্টি বাবার মিষ্টি সন্তান। আর প্রত্যেকেরই নিজস্ব পাঠ আছে, সেটা ভালই হোক বা মন্দ চরিত্রের, আমরা যেন কোনভাবে বিচলিত না হই।

এই জন্যই আমরা যখন স্বচিন্তন করব, তখনই শুভ চিন্তনও করতে পারবো। কেননা শুভ চিন্তন থেকেই অপরের প্রতি শুভ ভাবনা আসে। অপরের প্রতি শুভ ভাবনার বদলে, আশীর্বাদ অবশ্যই পাওয়া যাবে।

ওম শান্তি 🙏

⛲⛲⛲⛲⛲⛲⛲⛲

পরিবারে মধুর সম্বন্ধ কিভাবে গড়ে তুলবেন?

ওম শান্তি 🙏

❤ *মধুর সম্বন্ধ*❤

⭕ *সম্বন্ধে মাধুর্যের আধার হলো দিব্য গুণ l স্ব - পরিবর্তনেই হয় এই বিশ্বের পরিবর্তন l তাই সর্বপ্রথম নিজেকে পরিবর্তনের লক্ষ্য রাখতে হবে l সহযোগের ভাবনা, শুভ চিন্তন, অন্যের প্রতি প্রেম - সম্মান l যেখানেই সম্বন্ধে নিঃস্বার্থ ভাব থাকবে সেখানেই সম্বন্ধ মধুর হবে l*

⭕ *সংসারে যত কলহ - ক্লেশ আছে, তার মূল কারণ হলো কোনো না কোনো দিব্য গুণের অভাব l যদি আমরা আমাদের জীবনে দিব্য গুণের ফুল ধারণ করতে পারি তাহলে আমাদের সম্বন্ধ সুন্দর হয়ে উঠবে l*

⭕ *আমাদের ব্যবহারের উপর আমাদের নজর দেওয়া উচিত l সম্বন্ধ - সম্পর্কে আসা যে কোনো আত্মার সঙ্গে আমাদের ব্যবহার যেন সুন্দর হয়, পক্ষপাত শূন্য হয় l*

⭕ *বুদ্ধিমত্তা জীবনের এক তলোয়ার তেমনই রক্ষাকবচ l কারোর ব্যবহারকে দেখেও না দেখা করা, না দোষ দেওয়া আর না অভিযোগ করা l এতে আন্তরিক আঘাত থেকে আমরা যেমন স্বয়ং মুক্ত হবো তেমনই আমাদের সম্বন্ধও থাকবে মধুর l*

⭕ *নম্র আর নিরহংকারী মানুষ কখনো ভেঙ্গে পড়ে না কারণ তার মধ্যে নত হওয়ার ক্ষমতা থাকে l তাই তার সাথে সকলেরই স্নেহের সম্বন্ধ থাকে l নিরহংকারিতা তো সকল দিব্য গুণের রস বা সার l*

⭕ *সরলতা হলো মনকে স্বচ্ছ করার উপায় l সরল চিত্ত ব্যক্তির মনে কোনো ছল - কপট বা চাতুরী থাকে না l তার শুদ্ধ ভাইব্রেশন শীঘ্রই অন্যকে আকর্ষণ করে l*

⭕ *অন্যের ভাবনা বা চিন্তাকে বুঝতে পারা, অন্যের দুঃখের অনুভবও আমাদের মহান করে তোলে l*

⭕ *ঈর্ষা, দ্বেষ, ক্রোধ বা কড়া কথা শুনেও, জয় - পরাজয়, লাভ - ক্ষতি আদি পরিস্থিতিতেও আমরা যদি সহনশীলতা রূপী অমূল্য গুণকে ব্যবহারে আনতে পারি, তাহলে অন্যের সঙ্গে আমাদের ঝগড়া সমাপ্ত হয়ে যাবে আর কঠিন পরিস্থিতিতেও আমরা আমাদের স্থির রাখতে পারবো l*

⭕ *ক্ষমাশীলতা :-- ক্ষমা মানুষের ভূষণ আর ধর্মও l যদি আমরা এই গুণকে আপন করে নিতে পারি, তাহলে আমরাও স্নেহ আর সহযোগ পাবো l অপকারী ব্যক্তিরও উপকার করার চিন্তা হলো মহৎ চিন্তাধারা l আমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তির প্রতিও যেন দয়ার ভাবনা জাগরিত হয়, ক্রোধের নয় l এতেই সম্পর্ক মধুর হয় l*

🔆🔆 *কর্ম সিদ্ধান্ত অনুসারে কোনো পরিস্থিতি এলে, আমাদের অনুধাবন করা উচিত যে, আমারই কোনো না কোনো কর্মের ফল আজ আমার সামনে l তাই তাকে হাসিমুখে স্বীকার করে, ধৈর্য সহকারে তার সামনা করা উচিত l অন্যকে দোষ দেওয়া উচিত নয় l এতেও আমাদের সম্বন্ধ হয় মধুর l*

*আমরা বাণীকে বীণা বানিয়ে রাখবো -----তাহলেই জীবন হবে সঙ্গীত ------*

❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤

স্নেহের ভাষা

অাজকের মিষ্টি মোতি*💧

১৫ ই আগস্ট :- *যে স্নেহের ভাষা জানে, সে সর্বক্ষেত্রে সফল হয ।*

🙏🙏ওম শান্তি 🙏🙏

🌹🌹ব্রহ্মাকুমারীজ 🌹🌹

💧💧💧💧💧💧💧💧

রক্ষা বন্ধন কি? বাঁধুন স্ব-রক্ষার সুরক্ষা বন্ধন

বাঁধুন স্ব-রক্ষার সুরক্ষা বন্ধন :-* ❣

*"রক্ষা বন্ধন"* - এই উৎসবটি শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে মানানো হয়। ভারতবাসীদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসব। বোনেরা হৃদয় থেকে এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকে এবং এই দিনটিতে ভাইদের হাতে রক্ষাকবচ বেঁধে দেয়, যাকে *রাখী* বলা হয়ে থাকে। বাজারে রাখীর দোকানগুলি এমন ভাবে সেজে ওঠে, যেন মনে হয় কোন মেলা বসেছে। রক্ষা বন্ধন হিন্দুদের অন্যতম প্রধান উৎসব। পরবর্তীকালে এই রক্ষা বন্ধন পর্বটি *রাখী* নামে পরিচিত হয় । এই *রাখী উৎসব* কবে থেকে মানানো হচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। কিন্তু *ভবিষ্য পুরাণ* এর একটি কথাতে এর উদাহরণ অবশ্য পাওয়া যায়। একবার বিষ্ণু, বামন অবতার ধারণ করে, বলি রাজার অভিমান কে চূর্ণ-বিচূর্ণ করেছিলেন। এইজন্য এই উৎসব *"বলেয়"* নামেও প্রসিদ্ধ। মহারাষ্ট্রে "নারিকেল পূর্ণিমা" বা "শ্রাবণী" নামেও এই উৎসব বিখ্যাত । এই দিন ওখানকার মানুষ-জন, নদী বা সমুদ্রের তটে গিয়ে নিজেদের পৈতা পরিবর্তন করে আর তার সাথে সাথে সমুদ্রের পূজাও করে।

*রক্ষা বন্ধন* সম্বন্ধে এক অন্য পৌরাণিক কথাও প্রসিদ্ধ আছে । দেব আর দানবের ভয়ংকর যুদ্ধে, দেবতারা পরাজিত হয়ে যখন দেবরাজ ইন্দ্রের শরণাপন্ন হয়েছিলেন, তখন ইন্দ্রানী দেবী দেবতাদের ভয়ে ভীত দেখে, তাদের হাতে রক্ষা সূত্র বেঁধে দিয়েছিলেন। এর দ্বারা দেবতাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় এবং দেবতারা দানবদের উপর বিজয় প্রাপ্ত করতে সমর্থ হয়। তখন থেকেই রাখি বন্ধন প্রথা শুরু হয়।

দ্বিতীয় মান্যতা অনুসারে, ঋষি মুনি দের উপদেশের পূর্ণাহুতি এই দিন হয়ে থাকে। তারা রাজাদের হাতে এই দিন রক্ষা সূত্র বেঁধে দিতেন। এই জন্য আজও ব্রাহ্মনেরা তাদের যজমানের হাতে রাখী বেঁধে দেন।

*রক্ষা বন্ধন* এই উৎসবটি ভাই বোনের পবিত্র প্রেমের প্রতীক। এইদিন বোনেরা অনেক ভালোবাসার সাথে তাদের ভাইদের হাতে রাখী বেঁধে দেয় এবং তাদের জন্য অনেক শুভকামনাও করে। ভাইরা নিজেদের বোনেদেরকে যথাসাধ্য উপহার দেয়। অতীত হয়ে যাওয়া শৈশবের আনন্দ পুনরুজ্জীবিত হয় ওই দিন।

রাখীর এই সুতোর মধ্যে অনেক কিছুই বলিদান থাকে। চিতোরের রাজমাতা কর্মবতী মুঘল সম্রাট হুমায়ূনকে রাখী পরিয়ে ভাই বানিয়ে ছিলেন এবং হুমায়ুনও নিজের বোন কর্মবতীকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য চিতোর পৌঁছেছিলেন। আজকাল তো বোন ভাইকে রাখি পরিয়ে দেয় আর ভাই বোনকে কিছু উপহার দিয়ে কর্তব্য পূরণ করে। কিন্তু আজ মানুষ এই কথাটি ভুলে গেছে যে, রাখীর সুতোর সম্বন্ধ, মনের পবিত্র ভাবনা থেকে হয়ে থাকে।

এসব তো হল পরম্পরা ধরে চলে আসা ধারণা বা মান্যতার কথা। এই আধারেই আমরা একে অপরকে রক্ষা সূত্র বেঁধে থাকি। কিন্তু এই রকম করেও আজ আমরা অপরকে রক্ষা করতে পারছি কি? আজ পরিবেশের অবস্থা খবর কাগজ বা কোন মাধ্যম দ্বারা জানা যায় । চারিদিকে কি রকম ঘৃণ্য ঘটনা ঘটে চলেছে। ব্যস্ এই গ্রন্থি গুলিকে মুক্ত করার লক্ষ্যে আমরা আপনার মনোযোগকে একাগ্র করতে চাই.....

বাস্তবে মনুষ্য নিজের মধ্যে নিহিত মনোবিকারের বশ হয়ে এইরকম ঘৃণ্য ঘটনা করার জন্য প্রেরিত হচ্ছে। কেবলমাত্র সূত্র বন্ধনেই তাদের মনোবৃত্তি পরিবর্তন করা সম্ভবপর নয়, এই জন্য মনকে শুদ্ধ করার প্রক্রিয়া একমাত্র আধ্যাত্মিক জ্ঞানের মাধ্যমেই করতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, আধ্যাত্মিকতার সম্বন্ধে সঠিক তথ্য না তো কারোর জানা আছে, আর না তার পদ্ধতি জানা আছে, কিভাবে করতে হয়। তো এই রকম পরিস্থিতিতে মনোবৃত্তিকে শুদ্ধ করার জন্য পরমাত্ম জ্ঞানই এমন এক মাধ্যম, যার দ্বারাই এই সকল বিকৃতি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আমরা আপনাকে একটা খুশির খবর জানাচ্ছি যে, কালচক্রে এখন পরমাত্মা দ্বারা মানব মনের দূষিত বৃত্তি গুলিকে পরিবর্তনের সময় পূর্বের আট দশক ধরে চলে আসছে। তো আপনিও কি চান যে, আপনার মন শুদ্ধ এবং শ্রেষ্ঠ ভাবনা দিয়ে পরিপূর্ণ থাকুক। যাহার দ্বারা আমরা নিজেরাই নিজেদের সুরক্ষা করতে পারব সাথে সাথে অপরকেও........

*তাহলে আসুন, আপনিও আপনার মনকে শুদ্ধ করুন, নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন এবং পরিবার তথা সমাজের সুরক্ষা কবচ হয়ে তাদেরকেও সুরক্ষিত রাখুন।*

💝 *মধুবন* 💝

👬👭👭👬👫👭👬👫👭

নিজেকে চেক করো

অাজকের মিষ্টি মোতি*💧

১৬ ই আগস্ট :- *তোমাদের মুখ থেকে সারাদিনে নির্গত সকল শব্দের মধ্যে কতগুলি শব্দ পরমাত্মার প্রতি ? নিজেকে চেক করো ।*

🙏🙏ওম শান্তি 🙏🙏

🌹🌹ব্রহ্মাকুমারীজ 🌹🌹

💧💧💧💧💧💧💧💧

আমরা জুড়ে থাকার চিন্তা করি অথবা ভেঙ্গে দেবার

অমূল্য মোতি*🍁🍁

১৬ - ০৮ - ১৯

*আমাদের মস্তিস্কে সেই শক্তি থাকে যে -----আমরা জুড়ে থাকার চিন্তা করি অথবা ভেঙ্গে দেবার ----আমাদের শক্তি সেই দিকেই কাজ করতে শুরু করে ।*

🙏🙏ওম শান্তি 🙏🙏

🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁

মানুষ আপনার কথা দ্বিতীয় বার শোনার অপেক্ষায় থাকে

🙏ওম শান্তি 🙏

*এতো বেশী বলবেন না, যে মানুষ আপনার চুপ করার জন্য অপেক্ষা করে -----বরঞ্চ এতটা বলেই চুপ করে যান যে, মানুষ আপনার কথা দ্বিতীয় বার শোনার অপেক্ষায় থাকে ।*

🌻🌻 *বি.কে.সিস্টার শিবানী*🌻🌻

দাদী প্রকাশমণি জীর অমূল্য বচন

দাদী প্রকাশমণি জীর অমূল্য বচন*

*নিজের সঙ্কল্পকে নিয়ন্ত্রণ করার অভ্যাস করো । এখনই সাকারী আবার এখনই নিরাকারী স্থিতিতে স্থিত থাকার অভ্যাস করো । এরজন্য নিয়ম তৈরী করো । ড্রিল করো, মনোযোগ সহকারে অভ্যাস করো, তাহলে বুদ্ধি শীতল এবং শক্তিশালী হয়ে যাবে । তোমরা খুশীতে থাকতে পারবে ।*

🌹🌹মধুবন 🌹🌹

❤❤❤❤❤❤❤❤