blog লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
blog লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সাত দিনের কোর্সের প্রথম দিন- আমি কে? আত্মা কি?

সাত দিনের কোর্স - প্রথম দিন *******                                                         সারাদিনের কথাবার্তার মধ্যে মানুষ না জানি কতবার 'আমি' শব্দের প্রয়োগ করে। কিন্তু এটা খুবই আশ্চর্যের কথা যে 'আমি' ও 'আমার' এই শব্দটি যে বস্তুটির সূচক, সেটা কি? আজ মানুষ  বিজ্ঞানের  দ্বারা  অনে বড় বড় শক্তিশালী  বস্তু  নির্মাণ  করেছে, সংসারের অনেক  রহস্যের  উত্তর  খুঁজে  পেয়েছে এবং  নানা প্রকারের জটিল সমস্যা  সমাধানের  জন্য  সদা সচেষ্ট  রয়েছে । কিন্তু  'আমি' নামক কর্তাটির বিষয়ে  সত্য  কি জানে না  অর্থাৎ  নিজেকে সে চেনে না । আজ যদি কোনো  ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা  করা যায়  --'আপনি কে' ? বা আপনার  পরিচয়  কি ?' তাহলে  সে এক মুহূর্তেই  নিজের শরীরের  যে নাম রাখা  হয়েছে তার অথবা  তার লৌকিক  কাজকর্ম  বা পদবীর কথা বলে দেবে।
তাহলে  আমি  কে ? --
প্রকৃতপক্ষে 'আমি' হল এই শরীর থেকে  ভিন্ন  একটি চেতন সত্তা 'আত্মা' সূচক। মানুষ( জীবাত্মা) এবং শরীর মিলিয়েই তৈরী  হয় । যেমন  শরীর  পাঁচটি  তত্ত্ব  (জল, বায়ু,  অগ্নি, আকাশ এবং  পৃথিবী) দ্বারা  তৈরী ।
তেমনই 'আত্মা'ও = 1.মন + 2.বুদ্ধি + 3.সংস্কার-- এর সমন্বয়ে গঠিত । 
আত্মার মধ্যেই নির্ণয়  ও বিচার করার শক্তি থাকে ।
তাহলে ♥মন কি? --   মন হল চেতন, যে সব সময় চিন্তন করে চলে।
            ♥  বুদ্ধি --       বুদ্ধি বা knowledge আমাদের সঠিক পথে চালিত করে।
            ♥ সংস্কার --   কোনো কাজ বারংবার করার ফলে তা সংস্কারে পরিণত হয় । অর্থাৎ সংস্কার হল Repeated action।

মনে করুন আপনাকে আপনার বন্ধুরা জোর করলো ধূমপান করতে। আপনার মন তাতে সায় দিল না। আপনার বুদ্ধি আপনাকে সতর্ক করে দিয়ে বললো ধূমপান করা ভালো নয়।-- আপনি মন ও বুদ্ধির কথা শুনলেন। ●দ্বিতীয় দিনও আপনার বন্ধুরা আপনাকে জোর করলো। আপনি ভাবলেন খেয়েই নিই না, একদিন খেলে কি হবে ? আপনার বুদ্ধি তখনও  আপনাকে সতর্ক করলো, কিন্তু  আপনি শুনলেন না।● পরের বারও একই জিনিস হল, বুদ্ধির কথা তখনও  আপনি শুনলেন না ।
● পরের বার কিন্তু আপনাকে আপনার বুদ্ধি আর নাড়া দেবে না। - কারণ তখন সেটা আপনার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে । অর্থাৎ Repeated action ই সংস্কারে পরিণত হয় ।   

আত্মার তিনটি faculty মন, বুদ্ধি ও সংস্কার চিন্তা করে [ বিচার  বিশ্লেষণ করে [ কার্যকরী করে ]
মনই সবকিছু 

আত্মা  ও মন -- [ 2 ]
আত্মা হল এক চেতন ও অবিনাশী সত্তা । তার রূপ হল দিব্য জ্যোতি স্বরূপ। আমাদের কপালের ঠিক মাঝখানে যেখানে মেয়েরা টিপ পড়ে, ছেলেরা তিলক পড়ে, দুই ভ্রুর ঠিক মাঝখানে ।মস্তিষ্কের ভিতরে হাইপোথ্যালামাস(Hypothalamus) এবং  পিনিয়াল (Pinial) গ্রন্থীর ঠিক মাঝখানে এর অবস্থান । রাতের আকাশে তারাকে যেমন ঝিকিমিকি করা বিন্দুর মতো দেখায়, ঠিক তেমনি একমাত্র দিব্য দৃষ্টির দ্বারাই আত্মাকে একটি তারার মত দেখা যায় । কবির ভাষায়  -- "ভ্রুকূটির মাঝে চমকায় এক আজব তারা (সিতারা, Twinkle star))। আত্মা ভ্রুকূটির মাঝে  অবস্থান করে বলেই মানুষ যখন খুব গভীর ভাবে চিন্তা করে তখন কপালে হাত রাখে  এবং যখন সে বলে 'আমার ভাগ্যই খারাপ ' তখনও সে কপালকে নির্দেশ করে। আত্মার বাস ভ্রুকূটির মধ্যে বলেই ভক্তদের মধ্যে কপালে টিপ পড়া বা তিলক লাগাবার প্রথা আছে । এর দ্বারা  আত্মার সম্বন্ধ মস্তিষ্কের সঙ্গে তা বোঝা যায়  এবং মস্তিষ্কের সম্বন্ধ সমগ্র শরীরে পরিব্যাপ্ত জ্ঞানেন্দ্রীয় (মন ও বুদ্ধি) ও কর্মেন্দ্রীয়ের সাথে ।
  আত্মার মধ্যেই প্রথমে সংকল্প উৎপন্ন হয়, পরে তা মস্তিষ্ক তথা স্নায়ুমন্ডলের মাধ্যমে ব্যক্ত হয় । আত্মাই সুখ দুঃখের অনুভব করে, নির্ণয় করে এবং  আত্মার মধ্যেই বুদ্ধি বা সংস্কার থাকে । সুতরাং মন ও বুদ্ধি আত্মা থেকে পৃথক নয় । কিন্তু আজ আত্মা নিজেকে ভুলে দেহ -- স্ত্রী, পুরুষ, বৃদ্ধ, যুবক ইত্যাদি মনে করে বসে  আছে।--- এই দেহ- অভিমানই হল যত দুঃখের কারণ।

আত্মা  ও মন [ 3 ] 
চিত্রটি লক্ষ্য করুন >>
বিষয়টিকে একটি মোটর চালকের উদাহরণের মাধ্যমে বোঝা যাক। শরীরশরীরটাকে যদি মোটরগাড়ি মনে করা হয় তাহলে  ' আত্মা তার 'চালক' (Driver)। অর্থাৎ 'চালক' যেমন মোটরগাড়ি নিয়ন্ত্রণ করে ' আত্মা 'ও তেমনি শরীর রূপী গাড়ি বা রথকে নিয়ন্ত্রণ করে । আত্মা বিনা শরীর মৃত, যেমন ড্রাইভার বিনা গাড়ি ।
পরমাত্মা অর্থাৎ ঈশ্বর বলেন, মানুষ নিজেকে চিনতে পারলেই এই শরীর রূপী মোটর চালিয়ে আপন লক্ষ্যে পোঁছাতে পারবে। আবার চালক যদি নিপুণ না হয় তাহলে দুর্ঘটনার(Accident) শিকার হয় এবং গাড়ি ও যাত্রী উভয়ের আঘাত লাগে। ঠিক তেমনি মানুষ যদি নিজের পরিচয় না জানে তাহলে সে দুঃখী ও অশান্ত হবে এবং একইভাবে তার সম্পর্কে আসা আত্মীয় বন্ধু পরিজনদেরও দুঃখী ও অশান্তি করে তুলবে। সুতরাং প্রকৃত সুখ এবার শান্তির জন্য নিজেকে জানা বিশেষ প্রয়োজন ।
- এই হল আমাদের 1st Lesson. প্রথম  lesson টাই সর্বাগ্রে বারংবার  Practice করতে হবে। নিজেকে আত্মা রূপে দেখার অভ্যাস । Brahmakumaris Bengali section সহজ রাজযোগ মেডিটেশনের সাপ্তাহিক কোর্সের প্রথম দিনে আত্মার সম্বন্ধে যে Lesson আপনাদের সামনে রাখল, তা আপনারা বারংবার অভ্যাস করবেন। 
কল্পনা করুন আপনি ঘুমোচ্ছেন আর আপনার হাতের ওপর দিয়ে টিকটিকি চলে গেলো , তো কি হবে ? কিছুই না , কারণ আপনি তো জানতেই পারলেন না | এবার ভাবুন আপনার সামনে টিকটিকি আপনার হাতের ওপর থেকে গেল, তখন আপনার Reaction কি হবে ? সঙ্গে সঙ্গে অশান্ত হয়ে পড়বেন আপনি। নোংরা অনুভব করবেন। কিন্তু টিকটিকি তো আপনাকে বিরক্ত করেনি, আপনার মন আপনাকে বিরক্ত করেছে | এবার কল্পনা করুন আপনার সামনে কোনো পছন্দের অ্যাক্টর বা অ্যাক্ট্রেস এসে গেলে আপনার কেমন লাগবে ? খুব খুশী হবেন আপনি, তাই তো ! কিন্তু সেখানেই একজন সাধারণ মানুষ এসে গেলে আপনার ভালো লাগবে না | যখন সেই অ্যাক্টরও মানুষ , এই সাধারণ লোকটাও মানুষ, তাহলে তফাৎ কোথায় ? তফাৎ হল শুধু মনের | যখন কোনো কমেডি সিরিয়াল দেখছেন তো খুব মজা পাচ্ছন , আবার যদি কেউ বকাঝকা করলো তো আপনার রাগ এসে গেলো | ভালো করে ভাবুন বা বুঝতে চেষ্টা করুন, আপনার তো নিজের মনের প্রতি কন্ট্রোল নেই | আমাদের কন্ট্রোল অন্যদের হাতে |
কেউ আমায় দুঃখী করতে পারে , কেউ আমায় Joke বানিয়ে হাসতে পারে, আমাদের মন আমাদের কথা শোনে না | বলতে গেলে অন্যদের কথায় বেশী চলে | এইজন্য আমরা বিরক্ত থাকি, যদি আমরা নিজের মনকে কাবু করতে পারি তো সারা খেলা শেষ হয়ে যাবে, সবকিছু পরিস্কার হয়ে যাবে | সবসময় সুখই অনুভব হবে | 

Meditation -- এটা এমন এক প্রক্রিয়া, যাকে ব্যবহার করে আমরা নিজের মনকে কন্ট্রোল করতে পারি | Meditation এর মানে এই নয় যে চোখ বন্ধ করে কিছু দেখার চেষ্টা আর না Meditation এর মানে সোজা ধ্যান | আপনি যে কাজ করছেন, খাচ্ছেন, ঘুমাচ্ছেন, পড়াশোনা করছেন, কাজ করছেন , x y z  যা কিছু , নিজের কাজকে পুরো ধ্যান দিয়ে করাই হচ্ছে  Meditation | নিজের মনকে কোনো একটা কাজে লাগাও আর পুরো ধ্যান বা মনোযোগ তাতে দাও , এটাই হল Meditation | নিজের মনের গতিবিধিকে দেখো , সবকিছু কিভাবে করে , তুমি নিজে কি ভাবে করো | আমাদের হাতে কিছু গরম জিনিষ লেগে গেলো তো আমাদের মন জানতে পারলো, আবার মন একটা  feeling দিল আর ঐ feeling এর কারণে আমরা হাত সরিয়ে নিলাম | দেখো নিজেকে আমরা যা কিছুই করি সবকিছু মনের থেকেই হয় | আবার চিন্তা থেকে feeling আসে, আর ঐ feeling থেকেই আবার শরীর কাজ করে | Meditation এক লম্বা প্রক্রিয়া যেটাকে বুঝতে আর করতে সময় লাগে | 
        
নিজেকে বলো -- আমি আত্মা, শরীর নই   
আমি আত্মা পরমপিতা শিববাবার সন্তান | পরমধাম নিবাসী | সৃষ্টি মঞ্চে শরীর ধারণ করে রোল প্লে করতে আসি | শরীর ধারণ করে ভ্রুকুটির মাঝে স্থিত হই | এবার পরমধাম ফেরৎ যাওয়ার সময় হয়েছে, এইজন্য বাবা আমাদের মুহূৰ্তে মুহূৰ্তে স্মরণ করাচ্ছেন | 

সহজ রাজযোগ মেডিটেশন শিক্ষার প্রাথমিক সাতদিনের কোর্স এর সময়সুচি- প্রতি ইংরেজি মাসের ২ এবং ১৬ তারিখ, সন্ধ্যাঃ ৭.৩০ থেকে রাত ৮.৩০ মিনিট পর্যন্ত। এছাড়া, দি একাডেমি ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড- এ প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা আধ্যাত্মিক জ্ঞান এবং রাজযোগ মেডিটেশনের ক্লাস হয়। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।

এছাড়া, দি একাডেমি ফর বেটার ওয়ার্ল্ড- এ প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা আধ্যাত্মিক জ্ঞান এবং রাজযোগ মেডিটেশনের ক্লাস হয়। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।

রাজযোগ মেডিটেশন - দি একাডেমি ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

The Academy for a Better World, Dhaka, Bangladesh

ঢাকাঃ

১২ কে এম দাশ লেন, ঢাকা ,টিকাটুলি,বাংলাদেশ ।

সেন্ট্রাল মহিলা কলেজের বিপরীতে, ভোলাগিরি আশ্রমের সন্নিকটে।

ফোন নংঃ 0175-956163, 01721-812930,

E-mail : bkdhaka@yahoo.co.uk

চট্টগ্রামঃ

The Academy for a Better World, Chittagong, Bangladesh

এ.সি.আর্কেড ( ৪র্থ তলা) ৫৯/৬২, নবাব সিরাজউদ্দৌলা রোড, সাব-এরিয়া (দত্ত সুইটসের এর পাশে পুলের উপর দশ তলা বিল্ডিং)

দেওয়ান বাজার, চট্টগ্রাম।

মোবাইলঃ 01920- 983131, 01842- 690586


রাজযোগ মেডিটেশনের সাত দিনের কোর্স পরিচয়

☆☆☆☆☆☆☆☆☆7 DAY'S COURSE☆☆☆☆☆☆☆☆

            ¤¤ সাত দিনের কোর্স --- পরিচয় ¤¤
                                                               ◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆

    মানুষ  নিজের জীবনের অনেক প্রশ্নের  সমাধান  করে থাকে  এবং তার ফল স্বরূপ অনেক পুরস্কারও লাভ করে। কিন্তু  একটা ছোট্ট  প্রশ্নের জবাব সে জানে না -- "আমি কে"? সারা দিনে কত অসংখ্য বার মানুষ "আমি" শব্দটা ব্যবহার  করে থাকে । কিন্তু  যদি জিজ্ঞাসা  করা যায় " আমি " কে? তাহলে কেউ বলবে রাম মুখোপাধ্যায়, বা রমা সেন ইত্যাদি ইত্যাদি । কিন্তু  সঠিক ভাবে বিচার করলে বোঝা  যাবে  এই নাম গুলি হল শরীরের নাম। শরীর হলো আমার, কিন্তু  আমি তো  শরীর নই। তাহলে  আমি কে? এই ছোট্ট  একটি প্রশ্নের উত্তর  না জানা থাকার কারণে  মানুষ  আজ নিজের দেহকেই আমি মনে করছে এবং Body-concious অর্থাৎ দেহ- অভিমানী হয়ে গেছে । আমরা জানি  যে আমাদের  শরীর পাঁচ তত্ত্ব  ( অগ্নি,  বায়ু,  আকাশ,  জল ও পৃথিবী ) দ্বারা  গঠিত । কিন্তু  একজন  ধার্মিক  মানুষ  যখন কর্ম ব্যবহারে আসবেন তার মনে নিশ্চয়ই  আসবে একথাটি যে  আমাদের  শরীর হল একটি Composite machine  বা একটি Assembly of instrument. তার মানে আমি বলি,  শুনি, দেখি, বা যা ই করি, আমি  হলাম আলাদা। আর এই শরীরের ধর্ম  হল ছয়টি রিপু -- কাম, ক্রোধ,  লোভ ইত্যাদি ; পাঁচ বিকারের বশীভূত  হয়ে মানুষ  আজ দুঃখে জর্জরিত ।

   এখন পরমপিতা পরমাত্মা  'শিব' বলছেন, আজ মানুষের  এত অভিমান  যে বলে "আমি" মালিক, "আমি " অফিসার, "আমি" ব্যবসায়ী, "আমি " রাজনীতিবিদ........ নিজেকে না জানার অজ্ঞতাই এই অহংকারের জন্ম  দিয়েছে । এই সৃষ্টি -রূপী নাটকের আদি, মধ্য - অন্তের জ্ঞান, আমি  কোথা থেকে  এসেছি, কখন এসেছি,  কিভাবে  সুখ শান্তিময় রাজ্য  হারিয়েছি এবং  পরমপিতা  পরমাত্মা( এই সৃষ্টির রচয়িতা ) কে? --- এই সমস্ত  রহস্য  কেউই জানে না। এখন এই মনুষ্য  জীবনের  প্রকৃত রহস্য ( puzzle of life) বা পরিচয়কে জেনে পুনরায় দেহী- অভিমানী হয়ে  উঠতে পারে । এর ফল-ফল - স্বরূপ নর শ্রীনারায়ণ আর নারী শ্রীলক্ষ্মীর পদ প্রাপ্ত  করতে  পারে। আর তার ফলে মানুষের  আত্মা  মুক্তি,  জীবন মুক্তি লাভ করতে পারে। এইভাবেই সম্পূর্ণ পবিত্রতা, সুখ, শান্তি  প্রাপ্তি  হয় ।

      মানুষ যখন দুঃখ কষ্ট  বা অশান্তি গ্রস্ত হয় তখন সে ঈশ্বরকে ডাকে,  বলে --- " হে দুঃখহর্তা, সুখকর্তা, শান্তি  দাতা প্রভু, আমায় শান্তি দাও।" বিকার গ্রস্ত  মানুষ  পবিত্রতার জন্য  ঈশ্বর  তথা পরমাত্মার কাছেই আর্জি  জানিয়ে  বলে  -- " হে দেব, আমায় বিষয় বিকার থেকে মুক্ত করো" অথবা "হে প্রভু, আমাদের শুদ্ধতা দাও, সকল অমঙ্গল দূর করে মঙ্গল করো।" কিন্তু  পরমপিতা পরমাত্মা তথা সকল কলুষতা থেকে  মুক্ত করবার জন্য যে ঈশ্বরীয় জ্ঞান ও সহজ  রাজযোগের শিক্ষা দেন অধিকাংশ ব্যক্তি সে বিষয়ে অবগত নন এবং নিজের ব্যবহারিক জীবনে তা ধারণ বা প্রয়োগ করেন না । পরমপিতা পরমাত্মা আমাদের জীবনে পথ প্রদর্শন করান এবং সর্বদা আমাদের সহায় থাকেন। কিন্তু  তার জন্য পুরুষার্থ (পুরুষ= আত্মা, আত্মার  সর্ব শ্রেষ্ঠ  উন্নতি ) তো  আমাদের  নিজেকেই করতে হবে। তবেই তো আমরা প্রকৃত সুখ ও শান্তি লাভ করতে পারব এবং  শ্রেষ্ঠাচারী হতে পারব।

  এরপর পরমপিতা পরমাত্মা দ্বারা উদ্ঘাটিত জ্ঞান ও সহজ রাজযোগের বিষয়ে বিষদে আলোচনা করব। Brahmakumaris Bengali section সকলের সুবিধার্থে Facebook এ সর্বপ্রথম বাংলা ভাষায় রাজযোগ মেডিটেশন কোর্স করাচ্ছে। আপনাদের কেমন লাগছে অবশ্যই জানাবেন। 
এছাড়াও প্রজাপিতা ব্রহ্মকুমারীস ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোনো সেবা কেন্দ্রে বিনামূল্য রাজযোগের অভ্যাস এবং লৌকিক জীবনকে অলৌকিক জীবনে পরিবর্তন করার সহজ শিক্ষা দেওয়া  হয় ।
Brahmakumaris Bengali section এর প্রস্তুতি।

সহজ রাজযোগ মেডিটেশন শিক্ষার প্রাথমিক সাতদিনের কোর্স এর সময়সুচি- প্রতি ইংরেজি মাসের ২ এবং ১৬ তারিখ, সন্ধ্যাঃ ৭.৩০ থেকে রাত ৮.৩০ মিনিট পর্যন্ত। এছাড়া, দি একাডেমি ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড- এ প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা আধ্যাত্মিক জ্ঞান এবং রাজযোগ মেডিটেশনের ক্লাস হয়। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।

এছাড়া, দি একাডেমি ফর বেটার ওয়ার্ল্ড- এ প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা আধ্যাত্মিক জ্ঞান এবং রাজযোগ মেডিটেশনের ক্লাস হয়। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।

রাজযোগ মেডিটেশন - দি একাডেমি ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

The Academy for a Better World, Dhaka, Bangladesh

ঢাকাঃ

১২ কে এম দাশ লেন, ঢাকা ,টিকাটুলি,বাংলাদেশ ।

সেন্ট্রাল মহিলা কলেজের বিপরীতে, ভোলাগিরি আশ্রমের সন্নিকটে।

ফোন নংঃ 0175-956163, 01721-812930,

E-mail : bkdhaka@yahoo.co.uk

চট্টগ্রামঃ

The Academy for a Better World, Chittagong, Bangladesh

এ.সি.আর্কেড ( ৪র্থ তলা) ৫৯/৬২, নবাব সিরাজউদ্দৌলা রোড, সাব-এরিয়া (দত্ত সুইটসের এর পাশে পুলের উপর দশ তলা বিল্ডিং)

দেওয়ান বাজার, চট্টগ্রাম।

মোবাইলঃ 01920- 983131, 01842- 690586


ব্যর্থ ভাবনা আর সংকল্প থেকে নিজেকে দুরে রাখা

*ব্যর্থ ভাবনা আর সংকল্প থেকে নিজেকে দুরে রাখা* :------

১. বেশি ভাগ দেখা গিয়েছে যে আমরা খুব ভালো যোগ করি, মন দিয়ে মুরলীও পড়তে থাকি, দরকার পড়লে আরো দশ জনকে জ্ঞানের ভালো-ভালো পয়েন্টস শুনিয়ে দিই, কিন্তু বিপরীত পরিস্থিতি আসলে আমরা সেই গুলো নিজের জীবনে ধারণ করে রাখতে পারি না, তার কারণ কি ?
 কারণ হল নম্রতার কবচ-কুণ্ডল নেই আমাদের কাছে | বিন্দু মাত্রও সহ্য শক্তি নেই | ছোটো-ছোটো কথাতে মন খারাপ হয়ে যায়, তার দায় আমরা সব সময় অন্যদেরকে করি, তার মূল কারণ হল দেহ-অভিমান | যতক্ষণ না দেহ-অভিমান থেকে দেহী-অভিমানী (Soul conscious) হতে পারব, আমাদের জ্ঞান নিজের জন্য বা সামনের আত্মাদের প্রতি কোনো কাজ দেবে না | 

২.জ্ঞান-ধ্যান-ধারণা এই তিনটি বিষয়ে নিজেকে সব সময় যাঁচাই করতে হবে, একটাও কম হলে নিজের উন্নতি বা অন্য আত্মাদের উন্নতি হতে পারবে না | সর্বদা "মনমনাভব" -এর মন্ত্র মনে রাখতে হবে, উঠতে-বসতে সর্বদাই এইটাই চিন্তা করতে হবে যে আজকে যেন কোনো আত্মাকে আমি কষ্ট না দিই | একজন আত্মাও যদি আমাদের ব্যর্থ সংকল্পের জন্য দুঃখ পায়, আমাদের পোস্ট সত্যযুগে কমে যাবে। শুভ-সংকল্প, শুভ-ভাবনা দিয়ে প্রতিটি আত্মার উদ্ধার করতেই বাবা আমাদের নিজের কাছে ডেকেছেন | আমরা নিজেকে সর্বদা স্বমানের স্থিত উচ্চ স্থানে থাকি আর অন্য আত্মাদের দোষ না দেখে তাদেরকেও স্বমানে টিকিয়ে রাখতে তাদের সাহায্য করি।

কর্মযোগের অভ্যাসের পয়েন্টস

✏⚡✏⚡⚡✏⚡⚡✏
👉  কর্মযোগের  অভ্যাসের পয়েন্টস :-

💥১)   আমি হলাম এক মহান আত্মা।
💥 ২)   আমি এই দেহে প্রবেশ করে, এই শরীরেই অবতরিত হয়েছি।
💥 ৩)   আমি আত্মা হলাম স্বরাজ্য অধিকারী এবং সূর্যের মতো পবিত্র। 
💥 ৪)   আমিই হলাম মন-বুদ্ধির মালিক এবং মাস্টার সর্বশক্তিমান।
💥 ৫)   সর্বশক্তিমান ছত্রছায়ার মত সর্বদা আমার মাথার উপর আছেন। 
💥 ৬)   আমি পরমধাম থেকে সর্বশক্তিমান কে অনুভব করছি, তাঁর শক্তিশালী কিরণ আমি আত্মার উপর পরছে।
💥 ৭)   আমি হলাম পবিত্র  স্বরূপ ফরিস্তা।
💥 ৮)   আমি আত্মা এই শরীর থেকে বেরিয়ে বাবাকে স্পর্শ করে আবার এই শরীরে প্রবেশ করলাম।
💥 ৯   আমি আত্মা কিছু সময়ের জন্য স্থূল সবকিছুকে পিছনে ফেলে আমার নিজধামে গিয়ে সেখানে কিছু সময় বসে আছি l 
💥 ১০)  আমি আত্মা আমার পূর্বপুরুষ আত্মাদের উদ্দেশ্যে ভাইব্রেশন দিচ্ছি, তারাও যেন সুখ পায় এবং বাবার সন্তান রূপে গণ্য হয়।
💥 ১১)  আমি আত্মা, শান্তস্বরূপ, বাবার কিরণ আমার উপর পরছে।
💥 ১২)  আমি আত্মা হলাম লাইট-মাইট স্বরূপ এবং  *হালকা*।
💥 ১৩)  পরমধামের একদিক থেকে মায়ের কিরণ আমি আত্মার পরছে l 
💥 ১৪)  পরমধামের অপর দিক থেকে শিববাবার শক্তিশালী কিরণ আমি আত্মার উপর পরছে। 
💥 ১৫)  আমি আত্মা বাপদাদা কে আহ্বান করছি।
💥 ১৬)  আমি আত্মা সূক্ষ্মলোকে গিয়ে ব্রহ্মাবাবার থেকে দৃষ্টি নিচ্ছি, এবং আমার পরিবারকেও দৃষ্টি দিচ্ছি।
💥 ১৭)  আমি আত্মা অন্য সকল আত্মাকে চক্-মক্ করতে দেখছি এবং তাদের সকাশ (pure vibration) দিচ্ছি।
💥 ১৮)  আমি আত্মা পবিত্র  স্বরূপ ফরিস্তা হয়ে পবিত্রতার  কিরণ দিচ্ছি। 
💥 ১৯)  আমি আত্মা বাপদাদা কে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
💥 ২০)  বাবা হলেন আমার বন্ধু, তাই প্রতিদিনই তাঁকে যেকোনো সম্বন্ধে সম্বোধন করি।

                     ওম্ শান্তি ll 🌹🌹

✏⚡⚡✏⚡⚡✏⚡⚡✏

শিব বাবা সন্তানদের প্রধান কর্তব্য কি?

💠💠💠💠💠💠💠💠💠

🔷তোমাদের কর্তব্য হলো ঘরে-ঘরে বাবার সমাচার পৌঁছে দেওয়া, যেকোনো অবস্থাই হোক যুক্তিসহকারে প্রত্যেককে বাবার পরিচয় অবশ্যই দাও।

🔷ত্রিমূর্তি শিবের পরিচয় দাও। 

🔷নতুন নতুন যেসব পয়েন্টস্ বেরোয়, সেগুলিকে নিজেদের কাছে নোট করে রাখো।

🔷তোমরা হলে মালী। মালীদের কাজ হল কাঁটা থেকে ফুলে পরিণত করা।

🔷যখন তোমরা কাউকে বোঝাবে, তখন শেষে এটাও বোঝাবে যে, 'মন্মনাভব'। বাবাকে আর সৃষ্টি-চক্রকে স্মরণ কর। মুখ্য কথা হলো, মামেকম্ (একমাত্র আমাকেই) স্মরণ কর, একেই যোগাগ্নি বলা হয়।
💠💠💠💠💠💠💠💠💠

ব্যর্থ আর সমর্থ

🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚

🌞 *ব্যর্থ আর সমর্থ*🌞

*ব্যর্থ :-- আমরা দিনভর যতো ব্যর্থ চিন্তা করবো, ততই আমাদের আত্মা রূপী ব্যাটারির চার্জ কম হতে থাকবে ।*

*সমর্থ :-- আর সমর্থ চিন্তা করলে আত্মা রূপী ব্যাটারি চার্জ হতে থাকবে । আমাদের পুরুষার্থও তীব্র হতে থাকবে ।*

🐣🐣 *হোলি হংসের দুটি বিশেষত্ব :-- এক হলো জ্ঞান রত্ন চয়ন করা, আর দ্বিতীয় নির্ণয় শক্তির দ্বারা দুধ আর জলকে পৃথক করা । দুধ আর জলের অর্থ হলো ---সমর্থ আর ব্যর্থের নির্ণয় । ব্যর্থকে জলের মতো বলা হয় আর সমর্থকে দুধের তুল্য । তাই ব্যর্থকে সমাপ্ত করার অর্থ হোলি হংস হওয়া । প্রতিটি সময় বুদ্ধিতে যেন জ্ঞান রত্ন চলতে থাকে, মনন যদি চলতে থাকে তাহলে রত্নে ভরপুর হয়ে উঠবে ।*

*পদ্মগুণ ধন্যবাদ বাবা ।💥🙏*

আত্মার প্রতিবিম্ব- বি.কে. সিস্টার শিবানী

🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁

💥🧚‍♀  *আত্মার প্রতিবিম্ব*🧚‍♀💥

🌻🌻 *বি.কে. সিস্টার  শিবানী*🌻🌻

                 🌹🌹 *ওম শান্তি*🌹🌹

🍁 *আমাদের জীবনে সমস্যা বা কারোর প্রতি বিরূপ মনোভাব থাকলে, তার সমাধানের জন্য সারাদিনে আমরা যে জল পান করি, সকালে উঠে সেই জলে সমস্যার নিবারণের কথা বলে পাঁচ থেকে দশ মিনিট পিওর ভাইব্রেশন দেবো আর সেই জল সারাদিন পান করবো, তাহলে ধীরে ধীরে সেই সমস্যা কম হতে থাকবে l এমন আমরা রোজ করবো l*

🍁 *আমরা মনকে এই কথা বলতেই দেবো না যে, আমাদের কাছে সময় নেই, আমরা বরং মনকে এই কথা বলবো যে, আমরা তো কেবল দশ মিনিট সময় ইনভেস্ট করবো, এবং সারাদিনে খুব সুন্দর ফল প্রাপ্ত করবো l*

🍁 *যদি আমরা কোনো ওষুধও খাই, তাহলেও তাতে পরমাত্মার শুদ্ধ ভাইব্রেশন দিয়ে এই কথা মনে করে খাবো যে, এই ওষুধ খেয়ে আমি সুস্থ হয়ে গেছি l এমন পজেটিভ চিন্তায় আমরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবো l*

🍁 *এই সবকিছুর সাথে সাথে আমাদের অর্থের প্রতিও নজর রাখতে হবে, কেননা এই অর্থও এক ভাইব্রেশন এনার্জির সঙ্গে ঘরে আসে, আর এর সাথে সাথে আমরা অর্থ রোজগারের উপায়ের প্রতিও নজর দেবো কেননা এই রোজগারের উপায়ও সম্পূর্ণ স্বচ্ছ হওয়া চাই l কাউকে অসন্তুষ্ট করে অর্জিত অর্থ গৃহে অশান্তির ভাইব্রেশন ডেকে আনে l*

🍁 *তাই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কাউকে দুঃখ দিয়ে নয়, কাউকে খুশী করেই ধন অর্জন করবো তাহলেই শুদ্ধ ভাইব্রেশনের সঙ্গে সেই অর্থ আমাদের গৃহে আসবে আর গৃহে খুশীর ভাইব্রেশন থাকবে l এমন ধনের থেকেই অন্ন, অন্নের থেকে মন, মন থেকে তন, সবকিছুই সন্তুষ্ট হবে আর খুশী আর সুখের পরশ আমাদের গৃহে বিরাজ করবে l*

🍁🍁ওম শান্তি 🍁🍁

🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁

ভগবানের সাথী মিত্রতা

🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚

🙏ওম শান্তি 🙏

*"ভগবানের সাথী মিত্রতা"*

*আমরা যদি আধ্যাত্মিক মার্গে মিত্রতার সম্পূন আনন্দ নিতে চাই, তারজন্য আমাদের সাবধান থাকতে হবে । লৌকিক সম্বন্ধে আমাদের এতটা লিপ্ত হওয়া কখনোই উচিত নয় যাতে আমাদের আধ্যাত্মিক প্রগতি রুদ্ধ হয়ে যায় । আমরা যদি আমাদের আধ্যাত্মিক প্রয়াসে শিথিল হয়ে যাই তাহলে নিজের সর্বশ্রেষ্ঠ স্থিতির সাকারাত্মক প্রভাবের প্রয়োগ কিভাবে করতে পারবো ?*

*আমাদের সর্বদা মিত্রকে সহায়তা করার লক্ষ্য রাখা উচিত কিন্তু এই সহায়তা শুদ্ধ হওয়ার প্রয়োজন, অর্থাৎ প্রশংসা প্রাপ্তির ইচ্ছা থেকে রহিত হওয়া চাই । এই প্রকার সহায়তা করলে আমাদের অধিক আধ্যাত্মিক উন্নতি হবে । বাস্তবে মাধুর্যই আধ্যাত্মিক মৈত্রীর সম্বন্ধ স্থাপন করে, তথা অন্যের কথা শোনা বা একে অপরের থেকে শেখার ভাব উৎপন্ন করে, যাতে আমাদের আধ্যাত্মিক উন্নতি হওয়া সম্ভব ।*

🦚🦚🦚🦚🦚🦚🦚

ব্রাহ্মণ জীবনের ২১ সূক্ষ্ম মর্যাদা

.             ::  ব্রাহ্মণ জীবনের ২১ সূক্ষ্ম মর্যাদা  ::

*১)*  *সময়ের মর্যাদা* ...
অমৃতবেলা থেকে শুরু করে রাত্রি পর্যন্ত সময়কে ঈশ্বরীয় জ্ঞান এবং সেবার জন্য ব্যবহার করা।

*২)*  *ভাষার মর্যাদা*...
সেন্টারে বা মধুবনে হিন্দিতেই কথা বলবে। পুরানো লৌকিক ভাষাতে নয়। (ব্রহ্মা বাবা বা দাদীরা জ্ঞানে আসার পর থেকে সিন্ধ্রী নিজেদের মাতৃভাষা হওয়া সত্ত্বেও কখনো নিজেদের মধ্যে সিন্ধ্রীতেও কথা বলতেন না)

*৩)*  *সংকল্পের মর্যাদা* ...
যে কোনো বিষয়েই আমরা সংকল্প করতে বা ভাবনা বা চিন্তা করতে পারি না।

*৪)*  কাউকে না বলে তার জিনিস use করা ঈশ্বরীয় মর্যাদা বিরুদ্ধ। 

*৫)*  সম্পর্ক বজায় রাখার মর্যাদা*...
আমরা সবাই হলাম ভাই - বোন। এটাই হল আমাদের আসল সম্বন্ধ। লৌকিক সম্বন্ধ ত্যাগ করে অলৌকিক সম্বন্ধ জুড়লাম - সেটাও ঠিক নয়। Detached থাকো, মোহ মুক্ত থাকো।
বি. দ্র. :  যশোদা মাতা বাবার জ্ঞানে আসার পর কোনো দিন বাবাকে স্বামীর দৃষ্টিতে দেখেননি।

*৬)*  *ভোজন* ....
শুদ্ধ ভোজন এবং মৌন থেকে খাওয়া ছাড়াও খাওয়ার সময় সংকল্পের প্রতি খেয়াল রাখাও অত্যন্ত জরুরী। যে খাবারই খাও, তার প্রতি যেন Respect থাকে। আসক্তি যেন না থাকে। এই ভোজন শরীর ও মনকে শক্তি প্রদান করে। খাবার বানানোর সময় যেন ঈশ্বরের স্মরণ থাকে। 

*৭)*   *ব্রাহ্মণ জীবনে সন্তুষ্টতা বা অসন্তুষ্টতা*... 
জ্ঞানে চলতে চলতে উদাস হয়ে পড়া, আমার progress হচ্ছে না  ... আমি যেখানে ছিলাম সেখানেই রয়ে গেছি... *ব্রাহ্মণ মর্যাদায় যে চলে না সে অসন্তুষ্ট থাকে* .... নিজ Negative সংকল্পের দ্বারা নিজেকে উদাস বানাবে না। সর্বদা উৎসাহ উদ্দীপনা বজায় রাখো। *পুরুষার্থে নবীনতা আনলে কখনো অসন্তুষ্ট হবে না*। 

*৮)*  *নিয়মানুবর্তীতা* (Punctuality).... 
সময়ের আগেই পৌঁছে যাওয়া। কোর্সও ৪৫ মিনিটের মধ্যে শেষ করতে হবে। যোগের সময় যোগ, মুরলীর সময় মুরলী। 

*৯)*  *ইচ্ছা*.... 
*ইচ্ছা মাত্রম অবিদ্যা* .... *ইচ্ছা আচ্ছা (ভালো) হতে দেয় না* । ইচ্ছা মনকে অশান্ত করে। অন্যদের দেখে, অন্যদের জিনিস দেখে সেটার প্রতি ইচ্ছা রাখা উচিত নয়।.... সূক্ষ্ম রূপেও নাম, মান, প্রতিপত্তির ইচ্ছা progress - এ বাধা হয়ে দাঁড়ায়। 

*১০)*  *ভিতরে ও বাইরে এক* .... 
নিজেকে দেখাতে চাইছে যোগী, কিন্তু মনে অপবিত্র সংকল্প চলছে..... এটা ঈশ্বরীয় মর্যাদা বিরুদ্ধ। তুমি কারো সামনে বসে বা দাঁড়িয়ে রয়েছ, তোমার মনে অপবিত্র সংকল্প চলছে, সেই ব্যক্তির স্থিতি যদি দুর্বল হয়, তবে সে আরও পতিত হয়ে যাবে, সেই বোঝাও তোমারই চাপবে। 

*১১)*  *দৃষ্টি* .... 
"সংকল্পতেও পবিত্র ভাব এবং পবিত্র দৃষ্টি ..... আমরা অন্য কোনো কিছুই দেখতে পারি না..... বুদ্ধির নেত্র দ্বারাও অন্য কোনও কিছু দেখতে পারি না..... ব্যর্থ বা নেগেটিভ দেখেও দেখবে না। 

*১২)*  *সূক্ষ্ম চুরি* ..... 
অন্যের মোবাইলে কি আছে... চেক করা... Take করা.... অর্থাৎ ব্যর্থের দিকে যাওয়া.....  *যদি তুমি কোনো প্রকারের ব্যর্থের মধ্যে থাকো তবে তুমি যজ্ঞের ক্ষতি করছ* .....কারো কোনো দুর্বলতা বা খারাপ কিছু অন্য কাউকে বলবে না। 

*১৩)*  *বাণী*
কাউকে দুঃখ দেওয়া, পরচিন্তনের বোল মুখ থেকে বের হওয়া উচিত নয়। বোর হচ্ছি, উদাস লাগছে, কী জানি কী হবে - এই ধরনের বাক্য কদাপি উচ্চারণ করবে না ..... কেননা  ভগবান আমাদের শ্রেষ্ঠ ভবিষ্যৎ বানিয়ে রেখেছেন.....তাই ব্রাহ্মণ জীবনে এসব allowed নয় ।

*১৪)*  *পবিত্রতা*..... 
রুহ-কে না দেখে দেহ-কে যদি দেখো তাহলে জেনো তুমি শব-কে দেখছো। সত্যযুগে তবে তোমার কর্ম জীবন হবে শ্মশান ঘাটে। সূক্ষ্ম leble এ চেকিং... *Familiarity তেও যাবে না...What'saap ইত্যাদি Online এও না.... মনসা-তেও যেন কোনো অপবিত্রতা না আসে। 

*১৫)*  *কর্ম* ... 
আমাদের কর্মও যেন সাধারণ না হয়...  *আমাদের কর্ম স্বয়ংকে বা অন্যকেও যেন Disturb না করে* ।আমাদের কোনো কর্ম যেন কার্য ব্যবস্থার কোনো ক্ষতি করতে পারে। বাবার নাম যেন বদনাম না হয়... সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে। 

*১৬)*  *সাক্ষীদ্রষ্টা এবং নষ্টমোহ* ... 
এই দুনিয়া হল অন্যের দেশ.... লৌকিক পরিবারেও যেন মোহ না থাকে। 

*১৭)*  *ব্যবহার*.. 
Sweet হওয়া উচিত..... তুমি ভাবছো মজা করেছ, কিন্তু কেউ তাতে দুঃখ পেল, সেটাও যেন না হয়। আমাদের ব্যবহার হবে মধুর। 

*১৮)*  *সেন্টারে লৌকিক বা বিজনেসের আলোচনা করবে না*.... কোনো প্রকারের লেনদেন যেন না হয়। 

*১৯)*  *রাগ বা অভিমান করবে না* .... কারো বিষয়ে অনুমান করা.... এসব ব্রাহ্মণ জীবনের মর্যাদা নয়। 

*২০)*  *সেবা* ... 
সেবা নির্মাণতা থাকবে, ত্যাগ থাকবে.... বিন্দুমাত্র অহংকার যেন না আসে.... কোনো প্রকারের Groupism যেন না হয়। 

*২১)*  *হাসি-মস্করা* ... 
জোরে জোরে আওয়াজ করে হাসা.... ঈশ্বরীয় মর্যাদা নয়। দেবতাদের মুখে স্মিত হাসি থাকে.... চেহারায়, চালচলনে অলৌকিকতা এবং Royalty থাকবে।

সর্বদা সহজ যোগী, সহজ পুরুষার্থী কিভাবে হবে?

সর্বদা সহজ যোগী, সহজ পুরুষার্থী কিভাবে হবে ❓

☀☀ আমাদের যোগ যত সহজ হবে, পুরুষার্থ ততই সহজ হয়ে যাবে কেননা সহজ যোগীই সহজ পুরুষার্থী হতে পারে l সর্বপ্রথম আমাদের বুদ্ধি পরিচ্ছন্ন হওয়ার প্রয়োজন তাহলেই যোগ সহজ হতে পারে l সহজ যোগী কখনোই পুরুষার্থে দূর্বল হয় না, সহজ পুরুষার্থীর অর্থ, তারা বর্তমান আর ভবিষ্যতের প্রারব্ধের স্পষ্ট অনুভব করবে, তাদের প্রারব্ধ এমন স্পষ্ট নজরে আসবে যেমন স্থূল চোখে স্থূল বস্তু দৃশ্যমান হয় l এই প্রারব্ধ অবশ্য স্থূল নেত্রে নয়, বুদ্ধির নেত্রে দর্শন করা যাবে l সহজ পুরুষার্থী প্রতি পদে অতুল সৌভাগ্য জমা করতে পারে যা অবিনাশী সম্পদ l তারা জানে যে এই অবিনাশী সম্পদ কখনোই শেষ হওয়ার নয় আর তা অর্জনের জন্য সর্বপ্রথম নিজেকে সমস্ত শক্তি, শান্তি, সুখ, আনন্দ আর প্রেমে ভরপুর করতে হবে তখনই আমরা সহজ যোগী আর সহজ পুরুষার্থী হতে পারবো l যোগও তখনই সহজ হবে যখন আমাদের বুদ্ধির স্বচ্ছতা আসবে আর এই বুদ্ধিকে স্বচ্ছ রাখার জন্য বুদ্ধিরূপী জমিতে শুভ আর শ্রেষ্ঠ সংকল্পের বীজ বপন করতে হবে l যত আমাদের সংকল্প শ্রেষ্ঠ হতে থাকবে ততই যোগ সহজ হতে থাকবে, ব্যর্থ শেষ হতে থাকবে আর আমরাও শ্রেষ্ঠ পুরুষার্থী হতে পারবো l

🙏 ওম শান্তি 🙏

🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵

বিশ্ব-কল্যাণকারী হলো মাস্টার রচিয়তা হয়ে বিশ্বের দেখা-শোনা করাকেই বুঝায়

ওম্ শান্তি ***

বিশ্ব্ব-কল্যাণকারী স্টেজ :-
---------------------------------

১. বিশ্বের সর্ব আত্মারা হল তোমার পরিবার। কেননা বেহদের বাবার বাচ্চা তুমি। তাহলে তুমিও বেহদের পরিবারের হলে | এই জন্য দয়ালু হয়ে সর্ব আত্মার কল্যাণকারী হওয়াটাই হলো বিশ্ব-কল্যাণকারী স্টেজ | স্মৃতিতে যেন থাকে - আমি হলাম বিশ্বের মালিকের সন্তান। মাস্টার রচিয়তা হয়ে বিশ্বের দেখা-শোনা করা বা বিশ্বের প্রতিক্রিয়া করা, এইটাই হলো বিশ্ব-কল্যাণকারী স্টেজ | যেমন আগেকার যোগ্য রাজারা সর্বদা নিজের রাজ্যের পরিক্রমায় নির্গত হতেন, | প্রজাদের সর্বদা সুখী আর সন্তুষ্ট রাখতেন | এমনি মাস্টার রচিয়তা হয়ে বিশ্বের দেখা-শোনা করতে হবে |

২. বিশ্ব-কল্যাণকারী বাচ্চারা স্বপ্নেও খালি (free) থাকতে পারেন না | তাদের স্বপ্নেও সেবাটাই দেখা যাবে | যারা দিন রাত সেবা তে ব্যস্ত থাকেন, তাদের স্বপ্নেও অনেক নতুন-নতুন কথা, সেবার প্লান বা উপায় দেখা যায় | বিশ্ব-কল্যাণকারীর মানেই হলো বিশ্বের আধারমূর্তি, তারা কখনো অলস (lazy) হতে পারে না |

৩. যেমন বাবার কাছে নিজেকে সমর্পণ কর, তেমনি নিজের সময় আর সর্ব প্রাপ্তি গুলো, জ্ঞান, গুন আর শক্তিগুলো বিশ্বের সেবার্থে সমর্পণ কর | যা সংকল্প ওঠে সেটাকে চেক কর যে, বিশ্ব সেবার প্রতি এইটা হচ্ছে তো ? যখন সেবার প্রতি নিজেকে সম্পূর্ণ সমর্পণ করবে তখন বিশ্ব-কল্যাণকারী স্টেজে টিকে থাকতে পারবে |

৪. বিশ্ব-কল্যাণকারী হলেন তারা, যাদের প্রতিটি কথা রুহানি সাজের মতন উত্সাহ আর উদ্দীপনায় নিয়ে আসে |
দুঃখী আত্মারা আনন্দে নাচতে থাকবে । যাদের প্রতিটি কর্ম চরিত্রের সমান গাইবার মতন হবে | প্রতিটি সেকেন্ডের সম্পর্ক আত্মাদের সর্ব কামনার প্রাপ্তির অনুভব করায় | কোনো আত্মাকে শক্তির, কাউকে শান্তির, কঠিনকে সহজ করার, অধীন থেকে অধিকারী হওয়ার, দুঃখী থেকে প্রফুল্ল হওয়ার, ছত্রছায়ার অনুভব করায় |

৫. এত বড় বিশ্বের কল্যাণ করবার জন্য একই সময় প্রতিটি সেকেন্ড মন, বাণী,আর কর্ম তিনিটি দ্বারাই সাথে-সাথে সার্ভিস করতে হবে | যখন তিনটি রূপেই সেবা হবে, তখন এই সেবার কার্য শেষ হতে পারবে | একই সময় তিনটি রূপেই সেবা যারা করেন, তারাই হলেন বিশ্ব-কল্যাণকারী |

৬. বিশ্ব-কল্যাণকারী স্টেজে টিকে থাকলে সর্বদা অথক আর নিরন্তর সেবাধারী হবে | সর্বদা ever ready, allrounder হবে | কোনো রমমেরই অবগুণ আত্মার প্রতি, কঠিন সংস্কারের আত্মার প্রতি, কম বুদ্ধির আত্মাদের প্রতি, গ্লানি করে এমনকি আত্মাদের প্রতিও কল্যাণকারী অর্থাত lawful আর lovefull হবে | তাদের সামনে কোনো রমমের অবগুনধারী আত্মাই হোক না কেন অথবা অজ্ঞানী আত্মা, তাদের মন্দ বা দুর্বলতা গুলোকে কল্যাণকারী হওয়ার কারণে ক্ষমা করবে, মনে স্থান দেবো না |

৭. যেমন বাবার সংকল্প বা বাণীতে, নয়নে সর্বদাই কল্যাণের ভাবনা বা শুভ-কামনা ভরা থাকে | তা সে যেমন প্রকারের কাজই করুক না কেন, হদের প্রবিত্তিকে বা কোনো সেবাকেন্দ্র চালাবার জন্য নিমিত্ত হলেও কিন্তু ভেতরে সর্বদা বিশ্ব-কল্যানের ভাবনা যেন ভরে থাকে | সর্বদা সামনে বিশ্বের সর্ব আত্মারা emerge যেন হয়। যত দুরেই থাকুক, আত্মাদের নিজের শ্রেষ্ঠ ভাবনা বা শ্রেষ্ঠ কামনার আধার দিয়ে সেকন্ডে শান্তি বা শক্তির কিরন দেবতা, মাস্টার জ্ঞান সূর্য হয়ে বিশ্বকে কল্যানের আলো দেবাটাই হলো বিশ্ব-কল্যাণকারী স্টেজ |

৮. বিশ্ব-কল্যাণকারী সেবাধারী বাচ্চাদের সংকল্প কখনো ব্যর্থ থাকতে পারে না, কেননা তারা বিশ্বের স্টেজে act করতে থাকে। তাদের সমগ্র বিশ্ব copy করে | যদি একটাও সংকল্প ব্যর্থ হয়, তবে নিজের প্রতি করলে না কিন্তু অনেকদের প্রতি নিমিত্ত হয়ে গেলে | যেমন তোমরা সেবার লিফ্ট এর গিফট পেয়ছ, অনেকের সেবার share পেয়ে যাও, ঠিক তেমনি যদি কোনো এমন কাজ কর তাহলে অনেকের ব্যর্থ শেখানোরও নিমিত্ত হয়ে গেলে। |এই জন্য এখন ব্যর্থর খাতা সমাপ্ত করো |

ওম শান্তি

সুখ হল কাক বিষ্ঠা সমান

♂❣🧚‍♂❣🧚‍♂❣🧚‍♂❣🧚‍♂❣

সন্নাসীরা বলেন, সুখ হল কাক বিষ্ঠা সমান। 
আদপে তারা কী জানেন সুখ কী ? না, তাদের জানার কথাও নয়। কারণ তারা তো সুখ কী তা দেখেনইনি। 
পাঁচ হাজার বছরের একটি কল্পের সূচনায় প্রথমে আসে সত্যযুগ। তারপর ত্রেতা, দ্বাপর এবং কলিযুগ। সত্যযুগকে বলা হয় স্বর্গ আর কলিযুগ হল নরক। সত্যযুগ স্বর্গ আর ত্রেতা হল সেমি-স্বর্গ। কলিযুগের অন্তিম এই সৃষ্টির রচয়িতা, সমস্ত মনুষ্য এবং প্রাণী কুলের পিতা শিব পরমাত্মা এই ভারতভূমিতে অবতীর্ণ হন এবং একজন বৃদ্ধ তনের আধার নিয়ে গীতা জ্ঞান প্রদান করে সেই সত্যযুগ বা স্বর্গ রাজ্যের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার জন্য পুরুষার্থের দ্বারা সম্পূর্ণ পবিত্র হওয়ার শিক্ষা প্রদান করেন। 
এরপর পৃথিবীতে যখন সত্যযুগ (পরমাত্মার জ্ঞানকে ধারণ করে যারা কলি আর সত্যযুগের মধ্যবর্তী সময়, যাকে পুরুষোত্তম সঙ্গমযুগ বলা হয়, সেই সময় পুরুষার্থ করেছিলেন), আসে, তখন তারা অখন্ড সুখ ভোগ করে। যেখানে দুঃখ কী বস্তু তা তারা জানেনই না। 
সত্য, ত্রেতা অতিবাহিত হওয়ার পর দ্বাপর যুগে একে একে বিভিন্ন ধর্মের স্থাপন হয় এবং এই দ্বাপরেই আদি শংকরাচার্য সন্ন্যাস ধর্মের স্থাপনা করেন। সুতরাং সত্য - ত্রেতায় যে অখন্ড সুখ, তার বিষয়ে তো সন্ন্যাসীদের বিন্দু বিসর্গও ধারণা নেই। তাই তারা অনায়াসেই বলে দেয় - সুখ হল কাক বিষ্ঠা সমান।

আচ্ছা বলুন তো, অশ্বত্থ বা বটগাছের বীজ পাওয়া যায় কি ? এর জবাব হলো, না । বট বা অশ্বত্থ গাছের কলম যতই রোপণ করুন না কেন, তা লাগবে না, কেননা প্রকৃতি এই দুই উপযোগী বৃক্ষের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রেখেছে । এই দুই বৃক্ষের ফল কাক খায় আর তার পেটেই বীজের অঙ্কুরোদগম হয় । কাকের মলত্যাগের মাধ্যমে সেই বীজ ধরিত্রীর মাটিতে পড়ে, আর তার থেকেই এই দুই বৃক্ষের জন্ম হয় । অশ্বত্থ এমনই এক বৃক্ষ, যা round the clock অক্সিজেনের যোগান দেয়, আর বট হলো এক ঔষধি গুণ সম্পন্ন বৃক্ষ ।
বীজের মধ্যেই বৃক্ষ সমাহিত থাকে। আজ যেটা বীজ, আগামীতেই তা মহীরূহ।
আর কাক বিষ্ঠা ! সেও যে তুচ্ছ করার মতো জিনিস নয়, তা তো এই উদাহরণের দ্বারা সহজেই বোঝা যায়।

সৃষ্টি রূপী কল্প বৃক্ষের চারা এখন রোপন হচ্ছে। শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে যে শতাব্দী প্রাচীন বটগাছটি রয়েছে, যার প্রধান মূলটিই প্রায় লুপ্ত বা গুপ্ত। ঠিক তেমনই সৃষ্টিতে যে সত্যযুগ ছিল, দেবী-দেবতাদের রাজত্ব ছিল, যাকে বলা হয় আদি সনাতন দেবী দেবতা ধর্ম, তাও শিবপুরের বট গাছটির প্রধান মূলের মতো তাও এখন লুপ্ত। তারই চারা এখন রোপন হচ্ছে। ধীরে ধীরে তা একটি বিশাল বৃক্ষে পরিণত হবে। আজ যেটা বীজ, তা সার রূপে রয়েছে, ভবিষ্যতে তা বিশাল বৃক্ষে পরিণত হবে। সত্যযুগে তারা অখন্ড সুখ ভোগ করবে বা বলা চলে সত্য - ত্রেতা পর্যন্ত অর্ধ কল্প সুখই সুখ ভোগ করবে। তাহলে কী বলা চলে যে, সুখ হল কাক বিষ্ঠা সমান ????

জল এবং অন্নকে চার্জ করার খুব সহজ এবং সুন্দর বিধি

জল এবং অন্নকে চার্জ করার খুব সহজ এবং সুন্দর বিধি"*

⚛ *জল এবং অন্নকে চার্জ করার জন্য আমাদের কিছু পজেটিভ সঙ্কল্প এবং শ্রেষ্ঠ স্বমানে স্থিত হতে হবে, কেননা আমাদের সঙ্কল্প যেমন হয়, সেই সঙ্কল্পই জল এবং অন্নে প্রবেশ করে ।*

⚛ *আপনি যখন জল এবং অন্নকে চার্জ করবেন, তখন 7⃣ বার সঙ্কল্প করবেন ।*

1⃣ *আমি পরম পবিত্র আত্মা, পবিত্রতার সাগর শিববাবার পবিত্র কিরণ আমি আত্মার মধ্যে প্রবেশ করছে, আর আমার নয়ন এবং হাতের মধ্যে দিয়ে তা জলের মধ্যে প্রবেশ করছে ।*

2⃣ *আমি মাস্টার সর্বশক্তিমান, আমার নয়ন থেকে পবিত্র কিরণ এই অন্নের মধ্যে প্রবেশ করছে ।*

*তখন এই পবিত্র ভাইব্রেশন জল এবং ভোজনে যেতে থাকবে ।*

⚛ *জলের মধ্যে আমাদের সঙ্কল্পকে গ্রহণ করার জন্য সবথেকে বেশী শক্তি থাকে । তাই আমরা যে সঙ্কল্প করি তা অতি শীঘ্র জল গ্রহণ করতে থাকে । এই বিধিকে নিত্য দিনচর্যায় সামিল করুন, তারপর দেখুন আপনার জীবন কতো সুখময় হয়ে যায় ।*

🌷🌷ওম শান্তি 🌷🌷

🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁

সত্যের মার্গ কেমন হয়, কঠিন নাকি সহজ,সত্যের মার্গে চললে কি প্রাপ্তি হয়

ওম শান্তি*🙏

*অাজকের প্রশ্ন :-----*

*সত্যের মার্গ কেমন হয়, কঠিন হয়, নাকি সহজ, আর এই সত্যের মার্গে চললে কি কি প্রাপ্তি হয় ❓*

🔴 *ঈশ্বরীয় প্রশ্নোত্তর বিভাগ*🔴

✴✴ *সোনার ভারত*✴✴

*বলা হয়ে থাকে, সত্যের পথ অত্যন্ত জটিল । সত্যপথে চলা সহজ কথা নয় । সত্যপথে চলা তো শাঁখের করাতের উপর চলার সমান, কিন্তু বাবা আজ আমাদের সত্য জ্ঞান এবং সত্যের পরিচয় প্রদান করে, সেই পথে চলা কতো সহজ করে দিয়েছেন । আর আমরা যখন এই সত্যের পথকে এখন বুঝেই গেছি, তখন এই পথে চলা আমাদের কাছে সম্পূর্ণ সহজ হয়ে গেছে । বাবার প্রদত্ত সত্য মার্গে চলে আমাদের প্রাপ্তির ভাণ্ডারও অফুরন্ত ।*

*বাবা আমাদের মুরলীর মাধ্যমে নিত্য এই দিব্য জ্ঞান দিয়ে আসছেন । বাবা রোজ বলেন --- নিজেকে আত্মা মনে করে, আমি তোমাদের বাবা, তোমরা আমাকে স্মরণ করো । আমাকে স্মরণ করলে, আমার সঙ্গে যোগযুক্ত হলে, তোমাদের ৬৩ জন্মের কৃত পাপ, সেই যোগ অগ্নিতে ভস্ম হয়ে যাবে, আর তোমরা আত্মারা পতিত থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র হয়ে, সত্যযুগী দুনিয়াতে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত হয়ে যাবে ।*

*বাবা আমাদের এই জ্ঞান প্রদান করে আজ এই কথা স্পষ্ট রূপে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, আমাদের কেমন পুরুষার্থ করতে হবে, যেই পুরুষার্থ করে আমরা মানুষ থেকে দেবতা হতে পারি । বাবা মনুষ্য থেকে দেবতায় পরিণত হওয়ার জন্য কতো সহজ যুক্তি বা নিয়ম বলে দিয়েছেন । তিনি বলেছেন ---বাচ্চারা, তোমরা এখন এই জ্ঞান সরোবরে ডুব দাও, এই জ্ঞান সাগরে ডুব দিলে তোমরা জ্ঞান পরীতে পরিণত হবে ।*

*জ্ঞান স্নানেই আমাদের চেহারা এবং চরিত্রের পরিবর্তন হয় । এই জ্ঞানেই আমাদের ভিতর সমস্ত অপগুণ দূর হয় । বাবাকে আর বিষ্ণুপুরীকে স্মরণ করলে আমরা পবিত্র হই, কেননা দেবতারা অতি পবিত্র, আর তাঁদের মধ্যে পবিত্রতার আকর্ষণ বিদ্যমান । তাই তো, যে সকল মানুষ মন্দিরে যায়, তাদের অল্প সময়ের জন্য সুখ - শান্তি এবং পবিত্রতার অনুভব হয় ।*

*কিছু সময়ের জন্য তাদের মন নির্মল হয় । এখন বেশীরভাগ আত্মারা ৬৩ জন্মের বিকারের জ্বালায় জর্জরিত হয়ে আছে । তারা যদি নিত্য এই জ্ঞান সাগরে অবগাহন করে তাহলে তারাও পতিত থেকে পবিত্র হতে থাকবে । তাই আমাদের সর্বদা বাবার ছত্রছায়ায় থাকতে হবে, তাঁর সংস্পর্শে থাকতে হবে, তথা বাবাকে স্মরণ করে আমাদের চিন্তাধারা এবং সঙ্কল্পকে পবিত্র করতে হবে ।*

🙏🙏ওম শান্তি 🙏🙏

আত্মার নিরাপদে থাকার প্রথম নম্বর সাধন কি এবং কিভাবে?

আত্মার নিরাপদে থাকার প্রথম নম্বর সাধন কি এবং কিভাবে?*

যেরকম বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচার জন্য আমাদের ছাতার দরকার হয়...সেইরকম আত্মা যখন শরীর নিয়ে অভিনয় করে তখন মায়া বিভিন্ন রূপে তার সামনে আসতে থাকে। এই জীবন যখন পেয়েছি তখন একে যাপন তো করতেই হবে, তবে সেটা হাসি দেখিয়েও হতে পারে কিংবা কান্না দেখিয়ে। তো আত্মাকে বিভিন্ন প্রকার মায়ার হাত থেকে বাঁচার জন্য পরমাত্মার ছত্রছায়াই হলো নিরাপদ সাধন।আত্মার নিরাপদে থাকার প্রথম নম্বর সাধন, প্রত্যেক জন্মের জন্য টিকে থাকার সাধন, অবিনাশী সাধন হল পরমাত্মার স্মরণ আর পরমাত্মার সাথ।
পরমাত্মা সাথ অসম্ভবকে সম্ভব করে দেয়, দুঃখকে সুখে বদল করে দেয় অশান্তিকে শান্তিতে বদল করে দেয়, পরমাত্মা স্মরণ-ই সেই মহাঔষধ যেটা আমাদের তন-মন এর সমস্ত রোগকে দূর করে দেয়। আমাদের যা কিছু ভারী বোঝা আছে, সে সব দূর করে দেয়, আর আত্মাকে হালকা করে দেয়। বড় বড় নেতা আর ধনী ব্যক্তিদের দেখো নিজেকে বাঁচানোর জন্য নিজের পিছনে সর্বক্ষণের জন্য দেহরক্ষী রাখে, তাদের জন্য অনেক পয়সা খরচা করে। আর আমাদের নিরাপদে থাকার জন্য স্বয়ং ভগবানকে আমরা প্রাপ্ত করেছি। কোন খরচা নেই। শুধুমাত্র সেই ভগবানের ভালোবাসায় লীন থাকতে হবে। আর নিজের হাত তার হাতে দিয়ে দিতে হবে। তার মতো রক্ষা তো আমাদের আত্মাদের আর কেউ করতে পারবে না। তার ছত্রছায়াই হল সম্পূর্ণ নিরাপদ আশ্রয়। 😍😍😍😍
👑👑👑👑👑👑👑👑

ধন্যবাদ আমার মিষ্টি প্রিয় বাবা
😘😘😘😘😘😘😘😘

🇲🇰💥🤝

আভ্যন্তরীণ আত্মিক সৌন্দর্য আর বাহ্য সৌন্দর্যের মধ্যে তফাৎ কি ?

আভ্যন্তরীণ অর্থাৎ আত্মিক সৌন্দর্য আর বাহ্য সৌন্দর্যের মধ্যে তফাৎ কি ❓

🌷🌷 সৌন্দর্য দুই প্রকারের হয়ে থাকে l এক হলো দেহের সৌন্দর্য আর এক হলো আত্মার নিজস্ব সৌন্দর্য l দেহের সৌন্দর্য হলো বিনাশী, সেখানে আত্মিক সৌন্দর্য হলো অবিনাশী l শৃঙ্গার আমরা যেমন করবো তেমনই তা দৃশ্যমান হবে, তা সে শরীরের সৌন্দর্যই হোক বা আত্মিক সৌন্দর্য l পরমপিতা পরমাত্মা শিববাবা এই সঙ্গম যুগে এসে আমাদের সেই আত্মিক সৌন্দর্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন l এই সৌন্দর্য কোনো শরীরের সৌন্দর্য নয় কেননা বাবা এখন আমাদের বেহদের জ্ঞান দিচ্ছেন, এই বেহদের জ্ঞান ধারণ করে আমাদের সকল আত্মাকে তা বুঝিয়ে বলতে হবে যে শরীর যতই সুন্দর হোক না কেন, একদিন এই শরীরের বিনাশ হয়ে যাবে l তাই আত্মা সুন্দর হওয়ার প্রয়োজন, শৃঙ্গারিত হওয়ার প্রয়োজন কারণ আত্মার সৌন্দর্য এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই l তাই বাবা এসেছেন এখন সেই হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্যে আত্মাদের শৃঙ্গারিত করতে কেননা সেই সৌন্দর্যই আত্মার প্রকৃত সৌন্দর্য, তাতেই আত্মা সুন্দর হয়ে ওঠে l শৃঙ্গারবিহীন আত্মা কখনোই সুন্দর নয় l আত্মার শৃঙ্গার হলো দিব্য গুণ -- সুখ, শান্তি, প্রেম, আনন্দ, পবিত্রতা, জ্ঞান আর শক্তি l এই গুণ ধারণ করেই আত্মা পুনরায় সুন্দর হয়ে ওঠে l যত আমরা আত্মার এই গুণকে শৃঙ্গার রূপে ধারণ করবো, ততই আত্মার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে আর অন্য আত্মাদেরও নিজের প্রতি আকর্ষিত করতে পারবো আর তাদেরও এই শৃঙ্গারে সাজিয়ে তুলতে পারবো l শৃঙ্গার ছাড়া কখনোই সৌন্দর্যের বিকাশ হয় না তাই আমাদের এই দিব্য গুণ আর শক্তির শৃঙ্গারে নিজেদের সাজিয়ে তুলতে হবে তবেই বাবার সজনী হয়ে তাঁর সাথে নিজের ঘরে যেতে পারবো আর স্বর্গের দুনিয়ার অধিকারী হতে পারবো l এই দিব্য গুণের শৃঙ্গারে আমাদের আত্মিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জন্ম - জন্মান্তরের সুসংস্কারের অধিকারী করে তুলবে l

🙏🙏ওম শান্তি 🙏🙏

🔆🔆🔆🔆🔆🔆🔆🔆🔆🔆🔆

স্ব দর্শন চক্রের মানে কি ? এটা কেমন করে ঘোরানো হয় ?

স্ব দর্শন চক্রের মানে কি ? এটা কেমন করে ঘোরানো হয় ?

💥 স্বদর্শন চক্র আমরা ভক্তিমার্গের ছবিতে বা দেবীদেবতাদের হাতে দেখা যায় | বিশেষ ভাবে শ্রীকৃষ্ণ আর বিষ্ণুর হাতে থাকে | কিন্তু ভক্তিতে সবাই বোঝে স্বদর্শন চক্র এক সশস্ত্র , যেটা রেগে গেলে শ্রীকৃষ্ণ আর বিষ্ণু অসুরদের গলা কাটার জন্য ব্যবহার করে থাকেন |

💥 এবার জ্ঞান স্বয়ং পরমাত্মা বলছেন এই স্বদর্শন চক্র সঙ্গমে ব্ৰহ্মামুখবংশাবলী ব্রাক্ষ্মণদের হয় | দেবতারা কোনো হিংসা করেন না | নাইবা সত্যযুগে কোনো অসুর থাকে , যার গলা কাটা হয় | এটা তো সঙ্গমে আমরা ব্রাক্ষ্মণ , স্ব এর দর্শন মানে আত্মার আদি-মধ্য-অন্তের পার্ট যে রোল প্লে এই বেহদের সৃষ্টিরূপী ড্রামায় হয় , আর সেইসব দেখে স্ব এর পরিবর্তন করা | আত্মার মুল শক্তি আর গুনগুলিকে ধারণ করা |

💥পরমাত্মা যে জ্ঞান দিয়েছেন , তার আধারে আমরা স্বয়ং এর চেকিংগ করাতে এই চক্রকে ঘোরাতে ঘোরাতে আত্মার ভিতরে দ্বাপর থেকে নিয়ে 63 জন্মের যে বিকার জন্মেছে , সেই অসুরদের (কাম, ক্রোধ , লোভ , মোহ অহংকার ) গলা কাটতে হবে |

💥যত আমরা স্বদর্শণ চক্র সারাদিন ঘোরাবো , ততই আত্মার শক্তি আর জ্ঞানের তেজ বাড়বে | সকল কাজে আদি মধ্য অন্তের গুণের আর শক্তির স্মৃতি হবে | যার থেকে কর্মে সফলতা হবে | দ্বিতীয় সঙ্গমযুগে মায়ার যে প্রহার হয় , সেটা স্বদর্শন চক্র ঘোরালে , তার থেকে বেঁচে যায় | এর জন্য শাস্ত্রোতে গজ আর গ্রহের কথা লেখা হয়েছে | এইজন্য যদি আত্মার কর্মেন্দ্রিয়োর রাজা হতে হবে , তো সেটা স্বদর্শন চক্র ঘোরালেই হবে |

কেমন করে ঘোরাবে ? 
🌹বিন্দুরূপ স্থিতি -- আত্মাকে পরমধামে নিরাকারী স্থিতিতে নিজের পরমাত্মা পিতার সাথে কর্মাতীত অবস্থায় দেখতে হবে |

🌻দেব স্বরূপ -- সত্যযুগে নতুন দুনিয়ায় ডবল তাজধারী , ষোলো কলা সম্পূৰ্ণ , সম্পূৰ্ণ নির্বিকারী , অহিংসা পরমধর্ম , মর্যাদা পুরুষোত্তম রূপে দেখতে হবে |

🌹 পূজ্য স্বরূপ -- তারপর কল্পনা করতে হবে , মন্দিরে ইষ্ট স্বরূপে দাড়িয়ে আছো | ভক্তরা আমাদের আহ্বান করছে | বাবা আমাদের ঐ ভক্তদের আশা পুরো করছেন , আমি নিজের চোখ দ্বারা তাদেরকে সকাশ দিচ্ছি , যে ওরা বাবার থেকে এসে বর্সা নিক্ |

💥 ব্রাক্ষ্মণ স্বরূপ -- নিজেকে কল্পবৃক্ষের শিকড়ে ব্ৰহ্মাবাবার সাথে পবিত্ৰতার সকাশ চারিদিকে ছড়াচ্ছে এমন অনুভব করো |

🌹 ফরিস্তা স্বরূপ -- মানে মাটির থেকে কোনো সম্বন্ধ না থাকা | লাইট আর মাইটের স্বরূপ | শিববাবার দ্বারা শক্তি নিয়ে নিজের সূক্ষ্ম স্বরূপ দ্বারা সৃষ্টিকে পাবন বানানোর কার্য্য করতে হবে |

💥 আমাদের সব স্বরূপকে যদি দেখা যায় তো পবিত্ৰ স্বরূপ আর সবসময় দাতার সংস্কার | তো স্বদর্শণ চক্র আমাদের পবিত্ৰ আর বরদানী মূর্ত বানিয়ে দেয় |