ঈশ্বরকে পাওয়ার সহজ উপায় - রাজযোগ মেডিটেশন

ঈশ্বরকে পাওয়ার সহজ উপায় -🌷🌷*

*ভক্তিমার্গে মানুষ নানাভাবে ঈশ্বরকে পাওয়ার চেষ্টা করে এসেছে -----মন্দিরে, মসজিদে মাথা ঠুকেছে -----মানত করেছে ------কান্নাকাটি করেছে -----উপোস করেছে -----জপ - তপ, ব্রত, নিয়ম সবই পালন করেছে -----তীর্থে - তীর্থে ঘুরে ঈশ্বরের সন্ধান করেছে -----কিন্তু পায় নি ঈশ্বরকে -----কারণ তারা জানতে পারে নি প্রকৃত ভগবান কে -----কিভাবে তাঁকে পাওয়া যায় -----আর এই না জানার কারণে বারে বারে বিভ্রান্ত হয়েছে l*

*আজ স্বয়ং ভগবান এসে আমাদের সকলকে বলে দিচ্ছেন তাঁকে পাওয়ার সহজ -সরল উপায় l কি করলে তাঁকে সহজেই পাওয়া যায় কারণ তিনি না জানালে তাঁকে জানতে পারা বা তাঁকে অর্জন করা যায় না ----*

💥💥 *আসুন স্বয়ং ভগবানের কাছ থেকে জেনে নিই -----কিভাবে তাঁকে পাওয়া যায় -----*💥💥

*ভগবান বলছেন -----*🌷🌷

💥 *তিনি নিরাকার*

💥 *দেহধারী নন*

💥 *রূপ -- জ্যোতির্বিন্দু*

💥 *নাম -----শিব, শিবের অর্থ - পরম কল্যাণকারী -------*

💥 *নিবাস ---পরম ধাম, নির্বাণধাম, মুক্তিধাম, ব্রহ্মলোক, সুইট হোম, লাল প্রকাশময় জগত l এ সবই একই জায়গার নাম ----যেখানে স্বয়ং ভগবান থাকেন ----*

💥 *ভগবান এখন এসে বলছেন ------ তিনি কখনোই সর্বব্যাপী নন l কল্পের সঙ্গম যুগে তিনি একবারই এসে সমস্ত আত্মাকে তাঁর পরিচয় দান করেন l বলে দেন তাঁকে পাবার উপায় l*

💥 *সেই ভগবান শিব বাবাকে পেতে হলে সর্বপ্রথম নিজেকে আত্মা নিশ্চিত করতে হবে l*

💥 *সুখ, শান্তি, পবিত্রতা, প্রেম, শক্তি, জ্ঞান এবং আনন্দ ---- শিববাবার এই সাত গুণে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে হবে এবং এই গুণের দানই করতে হবে বিশ্বের আত্মাদের ------*

💥 *সকল আত্মাকে স্নেহের দৃষ্টিতে দেখতে হবে ------ভুল কর্মের জন্য যেমন নিজেকে ক্ষমা করতে হবে, তেমনি এই ক্ষমার দান করতে হবে অন্য আত্মাদেরও -----*

💥 *নিজে রুহানী গোলাপ হয়ে সেই সুগন্ধ ছড়িয়ে দিতে হবে চতুর্দিকে -----*

💥 *মন - বচন এবং কর্মে শুদ্ধ এবং শ্রেষ্ঠ সঙ্কল্প রাখতে হবে -----*

💥 *অপকারীর উপকার করতে হবে ----*

💥 *অন্যের দোষ না দেখে, নিজের দোষ সম্বন্ধে সচেতন হতে হবে ----*

💥 *এই বিশ্বের সকল আত্মাই এক পরমাত্মা শিবের সন্তান মনে করে ----- সকলের প্রতি প্রেম ভাব , শুদ্ধ ভাব , দয়া এবং ক্ষমার ভাবনা, প্রত্যেকের জন্য শুভ কামনা করতে হবে -----*

💥 *কখনোই কোনো পরিস্থিতিতে বিচলিত হওয়া চলবে না -----পরিস্থিতি যাই হোক, তাকে এই বিশ্ব নাটকের খেলা মনে করে নিশ্চিন্ত এবং সাক্ষীভাবে থাকতে হবে -----*

💥 *এই সমস্ত কিছু সম্ভব হবে যদি আমরা শিব বাবার সঙ্গে যোগযুক্ত হতে পারি ----তাই নিরন্তর তাঁকে স্মরণ করতে হবে ----তবেই তিনি আমাদের মধ্যে সঞ্চার করবেন এই দিব্য গুণ ------সেই গুণে গুণান্বিত হয়ে, তাঁর সম হয়ে তাঁকেই লাভ করতে পারবো আমরা -----*

💥 *স্বয়ং ভগবানের কথা শুনলে -----তিনিও অবশ্যই আমাদের কথা শুনবেন আর আমাদের করে দেবেন গুণবান দেবতা l*

🙏🙏ওম শান্তি 🙏🙏

❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤

মাতেশ্বরী জগদম্বা স্বরস্বতী মাম্মার বিশেষত্ব - রাজযোগ মেডিটেশন

*মিষ্টি মাম্মার বিশেষত্ব*.....
জ্ঞানের সার কথা......... মৌন থাকা.... মাম্মার জীবনে এটা আমারা বিশেষ বাস্তব রূপে দেখি। মাম্মার বিশেষ গুণ ছিলো..... ধৈর্য আর গাম্ভীর্য ।..... জ্ঞানী আত্মার প্রথম পরিচয় হলো সে জ্ঞানময়, গুণময় হবে । যেমন আমাদের মাম্মা । কেননা মাম্মার গুণ আর কর্ম এর সম্বন্ধ থেকে এই সব জানা যায় ।......... মাম্মা কেবল, "বাবা", "বাবা" জপ করতেন না । খুবই শ্রদ্ধাশীল ছিলেন বাবার প্রতি ।................. যারা পড়ান তাদের শ্রদ্ধা, সময়মতো ক্লাসে আসা, অমৃতবেলা পালন করা, এইসব খাঁটি পুরুষার্থ যারা করেন, তাদের প্রেরণা দেয় ।
তাদেরকে দেখে এমন মনে হয় কি আমিও এইরকম নিয়ম পালন করি ।তাই আমরাও আমাদের চাল চলন, ওঠা বসা, কথা বার্তা এই সবের ওপর নজর দেব, এবং নিজের জন্য খাঁটি পুরুষার্থ করার সদিচ্ছা রাখলে বাবা ও আমাদের শক্তি দিয়ে ভরপুর করে দেন ।...................... আমারও বাবা, মাম্মার মত হতে পারব । মিষ্টি মাম্মা " Goddess of wisdom" ছিলেন । মাম্মা মূহুর্তে বুঝতে পারতেন যে এর মনে ব্যর্থ চিন্তা ভাবনা চলছে, তাকে সামনে বসিয়ে ব্যর্থ চিন্তা, পরচিন্তন, এই সব কে এমন ভাবে শেষ করে দিতেন যে এই সব তার স্মৃতিতেই থাকত না । সব খারাপ চিন্তা বিস্মৃত হয়ে যেত । এমনই ছিলেন আমাদের মাম্মা ।......
💢💢💢💢💢💢💢💢💢
🌻🌻 *মাতেশ্বরী জীর জীবনের অমূল্য বিশেষত্ব*🌻🌻

২০ - ০৬ - ২০১৯

*মাম্মা যখন মুরলী চালাতেন, তখন সবাই এমনভাবে তন্ময় হয়ে শুনতো যে মূর্তিবৎ হয়ে যেতো । মুরলী দেড় ঘণ্টা চলতো, তখন সবাই একাগ্র হয়ে বসে শুনতো । মাম্মার মুরলী এমন মধুর হতো যে তা বলার নয় । সম্পূর্ণ যজ্ঞে দেখা গেলে, মাম্মা সবথেকে কম কথা বলতেন ।*

🌹🌹মধুবন 🌹🌹

🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸

মাম্মার দৃষ্টি বিচিত্র ছিল। যেমন বাবার দৃষ্টি পরামাত্র আমরা সব কিছু ভূলে এক অতীন্দ্রিয় অনুভূতিতে মগ্ন হয়ে যাই, ঠিক একই ভাবে মাম্মার দৃষ্টি, মুখমন্ডল এতো আত্মিক, আধ্যাত্মিক ছটায় পরিপূর্ণ ছিল যে সামনের ব্যক্তি নিজেকে এই দেহ আর দুনিয়ার থেকে পৃথক অনুভব করতো।

_-----------------------------
☀ *মাতেশ্বরী জীর জীবনের অমূল্য বিশেষত্ব*☀

২৭ - ০৬ - ২০১৯

*মাতেশ্বরী জীর নিজের পুরুষার্থের প্রতি খুবই নজর থাকতো । তাঁর মুখ থেকে সর্বদা এই কথাই বের হতো যে ---"যেমন কাজ আমি করবো, আমাকে দেখে অন্যেও তেমন করবে ।" মাম্মাকে কখনোই উঁচু স্বরে কথা বলতে দেখা যায় নি ।*

💚💚 মধুবন 💚💚

🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸


*রাজযোগ থেকে আমাদের প্রাপ্তি ------

যোগ যেমন শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য তেমনই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ।*

*রাজযোগ থেকে আমাদের প্রাপ্তি ------

*শান্ত স্থিতি :--- রাজযোগের অভ্যাস দ্বারা অশান্ত এবং দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মন শান্ত হয় যাতে আমাদের মন হালকা হয়ে দৃঢ় তৈরী হয় ।*

*একাগ্রতা :-- রাজযোগের অভ্যাস আমাদের একাগ্রচিত্ত হতে সাহায্য করে, যাতে আমরা কম সময়ে সফলতা প্রাপ্ত করতে পারি ।*

*চিন্তন :-- রাজযোগ আমাদের শ্রেষ্ঠ চিন্তন করতে প্রেরণা দেয়, যাতে আমরা আন্তরিক এবং বাহ্যিক জগতকে বুঝে জীবনকে মূল্যবান করে তুলতে পারি ।*

*অনুভূতি :-- রাজযোগের অভ্যাস আমাদের আত্মার অনুভব করিয়ে তার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের গুণ আর শক্তিকেও অবগত করায় ।*

💥💥 *ঈশ্বরকে শেষ আশা নয়, প্রথম ভরসা বানান 🙏

মিষ্টি মাতেশ্বরী জগদম্বা স্বরস্বতী মিষ্টি মাম্মার মধুর শিক্ষা 

মিষ্টি মাম্মার মধুর শিক্ষা 

একবার মাম্মা ক্লাস শেষ হওয়ার পর, মেয়েদের সাথে বসে ছিলেন l মাম্মার প্রতিটি শব্দে প্রেমের সাথে সাথে রহস্য ভরা থাকতো l মাম্মা সবসময় বলতেন, প্রত্যেক মানুষকে সুখ দান করো l

পাঁচ তত্বকেও দুঃখ দেওয়া উচিত নয় l যদি কেউ জোর কদমে জুতোর আওয়াজ তুলে চলতো, তাহলেও মাম্মা বলতেন যে, ধীরে চলো ☺🚶, এই ধরিত্রীকেও 🌍 কষ্ট দেওয়া উচিত নয় l তোমরা এই পঞ্চ তত্বকেও সুখ দান করো যাতে এই তত্বও তোমাদের সুখী করতে পারে l যেমনভাবে একজন মা তার সন্তানকে সমস্ত বিষয়ে শিক্ষা দেন, বা বুঝিয়ে বলেন যে কেমন করে কথা বলতে হবে, কেমন ভাবে চলতে হবে বা ব্যবহার করতে হবে, মাম্মাও ঠিক একই ভাবে শিক্ষা দিয়ে বাচ্চাদের যোগ্য করে তুলতেন l এমনই ছিলেন আমাদের অতি প্রিয় মাম্মা, স্নেহের মূর্তি, শক্তি রূপ ত্যাগী তপস্বী, বাপদাদার সম্পূর্ণ আজ্ঞাকারী l

পবিত্রতার প্রতিমূর্তী মাম্মা
♣♣♣♣♣♣♣

মাম্মার চেহারাতেই পবিত্রতার উজ্জ্বল দিপ্তী ছিল। এই পবিত্রতার গুণের কারণেই জগদম্বা রূপে মাম্মা রূপে তিনি গায়ন ও পূজনযোগ্য হয়েছেন। মাম্মা হলেন ব্রহ্মার পুত্রী। সম্বোধনেই এত স্বচ্ছতা, পবিত্রতার শক্তি তাতেই তিনি হয়ে গেলেন জগদম্বা।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

🌹🌹ওম শান্তি 🌹🌹

জ্ঞান আর শক্তির চৈতন্য অবতার 'মাতেশ্বেরী জগদম্বা সরস্বতী

*জ্ঞান আর শক্তির চৈতন্য অবতার 'মাতেশ্বেরী জগদম্বা সরস্বতী'*👸

*জ্ঞানের প্রকাশ আমাদের জীবনকে আলোকিত করে, কিন্তু মানবতার ইতিহাসে এমনও মহান বিভূতি আছেন, যিনি স্বয়ং জ্ঞানের প্রকাশ হয়ে এই সংসারকে এতোটাই আলোকিত করেছেন যে, জ্ঞানের প্রতিমূর্তির রূপে যিনি যুগে যুগে অজ্ঞান তিমির নাশ করে জ্ঞানের প্রকাশে মানব হৃদয়কে আলোকিত করে আসছেন । তাঁর উপমার জন্য উপযুক্ত শব্দের সীমা আজ সমাপ্ত । এমনই একজন ভারতীয় শিরোমণির প্রতিনিধি, ঈশ্বরীয় জ্ঞানের কালজয়ী অবতার, রুদ্র যজ্ঞ রক্ষক মাতেশ্বেরী জগদম্বা এই ধরায় যুগান্তকারী পরিবর্তনের সংবাহক হয়ে হাজার ব্রহ্মাবৎসের মানস পটে পরমাত্মা শিবের জ্ঞানের যে পরশ লাগিয়েছেন, তা বর্তমান সময়ে লাখ - লাখ মনুষ্য আত্মার জীবনকে আলোকিত করেছে । জ্যোতির্বিন্দু স্বরূপ পরমাত্মা শিব স্বয়ং শরীর ধারণ করতে পারেন না, কিন্তু মাতেশ্বেরী জগদম্বার রূপে পরমাত্মা এই সংসারের ব্রহ্মাবৎস তথা লাখ - লাখ মনুষ্য আত্মাদের মাতৃত্বের সুখময় আঁচলের ছত্রছায়ায় পালনা দিয়ে নিজের মমতাময়ী স্বরূপকে প্রকট করেছিলেন ।*

🕉 *ধর্মের সত্যি মর্ম*

*আধ্যাত্মিক জ্ঞান এবং শক্তির চৈতন্য দিব্য মূর্তি মাতেশ্বেরী শ্রী জগদম্বা, কর্মযোগের জ্ঞান গঙ্গা প্রবাহিত করে আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে পুরুষের প্রাধান্যতাকে ভঙ্গ করে সমস্ত সংসারে এই সন্দেশ দেন যে, আধ্যাত্মিক পুরুষার্থ এবং সাধনার জন্য ত্যাগ, তপস্যা এবং আত্ম অনুভূতিই যথার্থ সত্য, লিঙ্গ ভেদ এবং বাহ্যিক পরিচিতির কোনো গুরুত্ব নেই । মাম্মা যেই সময়ে আধ্যাত্মিক সাধনার দ্বারা অজ্ঞানতায় দিশাহীন সমস্ত মানবের হৃদয়কে জ্ঞানের প্রকাশে আলোকিত করার পথ চয়ন করেছিলেন, ১৯৩৬ সালের সেই কালখণ্ড এক নারীর জন্য অনেক বড় সাহসী পদক্ষেপ ছিলো, কেননা সেই সময়ের পুরুষ প্রধান সমাজ ধর্মের সুরক্ষার নামে নারীদের গৃহের অভ্যন্তরে পর্দানসীন করে রাখতো । তারা তাকেই সত্য ধর্ম মনে করতো । শ্রী মাতেশ্বেরী জী রাজযোগ সাধনা আর সহনশীলতার গুণে সম্পূর্ণ সংসারের সামনে ধর্মের সত্যি মর্ম স্পষ্ট করেছিলেন যে, আত্ম অনুভূতি এবং পরমাত্ম অনুভূতির দ্বারাই সত্য ধর্মের স্থাপনা হয়, নারীদের গৃহবন্দী আর পর্দার অন্তরালে রেখে নয় ।*

*আধ্যাত্মিক সাধনা এবং ঈশ্বরীয় জ্ঞানের দ্বারা অজ্ঞানতায় পথ হারানো দুঃখী আর পীড়িত সমস্ত মানব জাতিকে জীবনমুক্তি প্রদান করার মাম্মার ক্রান্তিকারী সিদ্ধান্ত মানবতার ইতিহাসকে পরিবর্তনকারী এক বিশেষ ঘটনা ছিলো কেননা তিনি নারীদের জন্য পূর্ণত: নারীদের জন্য নিষিদ্ধ ধর্মের দ্বারকে উন্মুক্ত করেছিলেন । তিনি নিজের দিব্য ব্যক্তিত্বের চুম্বকীয় আকর্ষণে হাজার - হাজার নারীকে স্বয়ং পরমপিতা পরমাত্মার দ্বারা এই সৃষ্টির মহাপরিবর্তনের মহান কাজে নিমিত্ত করে যে নব সৃজনের পথ দেখিয়েছিলেন, তা বর্তমানে নারী সত্বা দ্বারা সঞ্চালিত "প্রজাপিতা ব্রহ্মাকুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের" রূপে সমগ্র সংসারকে আলোকিত করছে ।*
🌟🌟 *বীণাবাদিণী সরস্বতীর চৈতন্য অবতার*🌟🌟

*অবিভাজিত ভারতে ১৯১৯ সালে অমৃতসরের এক সামান্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করা, পিতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত কিন্তু আধ্যাত্ম শিখরকে স্পর্শকারী মাতেশ্বেরী জীর সমাধিস্থ হয়ে উচ্চারিত "ওম" ধ্বনির আধ্যাত্মিক তরঙ্গের এতোটাই শক্তিশালী প্রবাহ ছিলো যে, "ওম" ধ্বনি উচ্চারিত হতেই সম্পূর্ণ পরিবেশে গভীর শান্তি ছেয়ে যেতো । এই ধ্বনির সংস্পর্শে আসা মানুষ ধ্যানের অবস্থায় চলে যেতেন । তাই মাতেশ্বেরী জীর 'ওম শ্রী রাধে' থেকে 'যজ্ঞ মাতার' দিব্য ব্যক্তিত্বের রূপে মহাপরিবর্তন মাতেশ্বরী জীর 'বীণাবাদিনী সরস্বতীর' চৈতন্য রূপে এই ধরায় সাক্ষাৎ অবতরণের দিব্য কাহিনী ।এক নতুন ইতিহাস সৃজন - তাঁর লৌকিক মাতা থেকে শুরু করে বাচ্চা, যুবা, বৃদ্ধ সকলেই তাঁকে "মাম্মা" নামে সম্বোধন করতেন, আর তিনিও যজ্ঞ মাতার বেহদের দৃষ্টিতে, আধ্যাত্মিক জ্ঞানে সকলের পালনা করে নারী সত্ত্বার আধ্যাত্মিক উত্থানের এক নতুন গৌরব গাঁথা সৃজন করেছিলেন । মাতেশ্বরী জগদম্বার পবিত্র সান্নিধ্যে প্রেরিত হয়ে লাখ - লাখ মনুষ্য আত্মা জ্যোতির্বিন্দু স্বরূপ পরমাত্মা শিবের নতুন সত্যযুগী দুনিয়ার পুনঃস্থাপনার মহান পরমাত্ম কার্যে নিজেকে সমর্পণ করার ঘটনা ইতিহাসে অন্যত্র কোথাও পাওয়া যায় না ।*

🌹🌹ওম শান্তি 🌹🌹

🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸

মুরলী শোনার নিয়ম

🍃 *মুরলী শোনার নিয়ম* 🍃🌸🌻

বাবার মুরলী একই হয় , কিন্তু যারা শোনে , তারা নম্বর অনুসারে বাচ্চা হয় । 
🌻 কিছু বাচ্চারা তো শুধু বাবার মহাবাক্যের শব্দ শুনেই খুশী হয়ে যায় । যারা বলে আজকের মুরলী খুব ভালো ছিল, এরকম বাচ্চারা শুধুমাত্র শব্দ পর্যন্তই সীমিত থাকে । 
🌻 দ্বিতীয় রকম বাচ্চা হলো , *যারা মুরলীর ভাব পর্যন্তই যায়* । কিন্তু 
🌻 তৃতীয় রকম বাচ্চাদের *বুদ্ধিতে বাবার জ্ঞান ভাবনা পর্যন্ত তো যাবে কিন্তু জীবনে পরিবর্তন হওয়া পর্যন্ত হবে না* । আর 
🌻 চতুর্থ প্রকারের বাচ্চারা *বাবার মহাবাক্য প্র্যাক্টিকলে ধারন করে*, 
এরকম বাচ্চা অনেক কম হয় ।

ভাব আর ভাবনা পর্যন্তও মুরলী হয় তাহলেও কোনো লাভ হয় না, *যতক্ষণ সেটা প্র্যাক্টিকল না হয় ! অর্থাৎ প্রয়োগশালায় প্রয়োগ করে নিজের আর দুনিয়ার বেনিফিট ( লাভে) আনতে হবে আর প্র্যাক্টিকল প্লাটফর্মে OK হতে হবে* ।

*মুরলীকে এইভাবে বুঝতে হবে যেমন দুধ যতই ভালো হোক, যদি দুধ গরম না করা হয় , তাহলে তাড়াতাড়ি খারাপ হয় । যদি গরম করেছো আর একদিনের মধ্যেই না পান করেছো তাহলে সেটা খারাপ হয়ে যাবে ।*

*দুধ আর জ্ঞান হলো মেটিরিয়ল, উতলানো মানে যোগবলের দ্বারা প্রয়োগে নিয়ে আসা অর্থাৎ দুধ পান করা* ।

এবার আমি কোন স্টেজ পর্যন্ত দুধ গরম করা পর্যন্ত বা পান করা পর্যন্ত অর্থাৎ লাভ নিয়ে দুনিয়াকে দেওয়া ।

*জ্ঞান যদি ফিল্ডে প্রয়োগ না হয় তাহলে আরোই দুঃখ দেওয়ার কারণ তৈরী হয় ।* 
*মুরলী শুনে প্র্যাক্টিকলে আনা অনেক প্রয়োজন আর এর জন্য অমৃতবেলায় দরকার বীজ রূপ স্থিতির পাওয়ারফুল অভ্যাস।*

মকর সংক্রান্তির তাৎপর্য - Rajyoga BD

🌟 মকর সংক্রান্তির তাৎপর্য 🌟

মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে প্রতি বছর লাখ লাখ পুণ্যার্থী বিভিন্ন নদীর সঙ্গমে যায় পুণ্য স্নান করতে l এই শুভ দিনে মানুষ তিল দানের সঙ্গে সঙ্গে অন্য অনেক জিনিসও দান করে থাকে l বাস্তবে এই স্থূল পরম্পরার ভিতরে এক আধ্যাত্মিক রহস্য লুকিয়ে আছে l

এখন কলিযুগের অন্তিম সময় চলছে l সমগ্র মানব জাতি এখন দুঃখী আর অশান্ত l তারা নানাভাবে বিদ্ধস্ত l প্রত্যেকেই এই দুঃখের পৃথিবীর পরিবর্তন চাইছে l এমন এক সময় বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা পরমাত্মা শিব কলিযুগ আর সত্যযুগের সন্ধিকাল অর্থাৎ এই সঙ্গম যুগে ব্রহ্মার শরীরে অবতরিত হয়েছেন।

ভক্তিমার্গের পুরুষোত্তম মাসে দান - পূণ্যের অনেক মহত্ব মনে করা হয়, ঠিক তেমনই এই পুরুষোত্তম সঙ্গম যুগে, জ্ঞান স্নান করে নিজেদের খারাপ গুণের দান করলে, প্রতি আত্মা উত্তম পুরুষ হতে পারে l এইদিন মানুষ তিল দান করে, এর অর্থ হলো, আমাদের সংস্কারে যে আসুরী গুণ মিলে গেছে, তার দান করে শুদ্ধ বা দিব্য সংস্কার ধারণ করা l প্রত্যেক মানুষের মধ্যে ঈর্ষা - দ্বেষ - হিংসা এমন আরো অনেক কু সংস্কার যে মিশে গেছে, সেই সংস্কারের দান আর সু সংস্কার বা দিব্য সংস্কার গ্রহণ l পরমাত্মার আজ্ঞা হলো আমাদের মধ্যে তিলমাত্র খারাপ অভ্যাসের দান করে দিয়ে দিব্য গুণে সমৃদ্ধ করতে হবে নিজেদের l দিতে হবে তিলাঞ্জলী l যেমন মানুষ গঙ্গাস্নান নিজে করে, অন্যকেও করিয়ে খুশী হয় এই ভাবনায় যে এতে তারা শুদ্ধ হবে, পবিত্র হবে l তেমনই এখন শিববাবা আমাদের বলছেন ---- এই পবিত্রতা আসবে একমাত্র জ্ঞান গঙ্গায় স্নান করলে, নিজেরা পাবো জীবনমুক্তি, অন্যদেরও দেখাবো মুক্তি আর জীবনমুক্তির পথ l যেমন নবান্ন বা নতুন ফসল উৎপন্ন হলে মানুষ খুশী হয়, উৎসব পালন করে, তেমন আমরা প্রকৃত অবিনাশী খুশী তখনই অর্জন করবো, যদি আমরা আমাদের ভিতরে থাকা খারাপ স্বভাবকে বর্জন করতে পারি l এই ফসল কাটার সময় বাংলা মাস হিসেবে পৌষ মাসের অন্তিম দিনকে মনে করা হয় l যা ইংরাজী মাস হিসাবে ১৪ ই জানুয়ারী হয়ে থাকে l এই সময় রাশিগত পরিবর্তনও হয়ে থাকে l তাই একে সংক্রমণ কালও বলা হয় অর্থাৎ এক দশা থেকে অন্য দশায় যাওয়ার সময় l এই সংক্রমণ কাল হলো সেই মহান সময়ের স্মরণ যা কলিযুগের অন্তিমে এবং সত্যযুগের আরম্ভের মাঝে ঘটে থাকে l এই সংক্রমণ কালে জ্ঞান সূর্য পরমাত্মাও রাশি পরিবর্তন করেন l তিনি পরমধাম ছেড়ে সাকার দুনিয়ায় অবতরিত হন l সংসারের ক্রান্তির পিছনে এক উদ্দেশ্য থাকে --- যা পরিবর্তনের l এই পরিবর্তন সাময়িক l মানুষ এখন সম্পূর্ণ পরিবর্তন চাইছে l সত্যযুগের খুশীর আধার হলো এখনকার সংস্কারের পরিবর্তন l এই ক্রান্তির পরে সৃষ্টিতে আর কোনো ক্রান্তিবা বা পরিবর্তনই হয় নি l সংক্রান্তির এই উৎসব হলো সঙ্গম যুগে ঘটে যাওয়া সেই মহান ক্রান্তি বা পরিবর্তনকে স্মরণ l

স্নান -- ব্রাহ্ম মুহূর্তের স্নান হলো সেই জ্ঞান স্নানের স্মরণ l

তিল ভোজন -- তিল ভোজন, অন্যকে দানেরও এক রহস্য আছে l বাস্তবে খুব ছোটো ছোটো জিনিসের তুলনা তিলের সঙ্গে করা হয় l আত্মাও অতি সূক্ষ্ম l অর্থাৎ তিল হলো আত্মা স্বরূপে স্থিত হওয়ার স্মরণ l

তিলের লাড্ডু খাওয়া -- তিল আলাদা করে খেলে তেতো লাগে l অর্থাৎ একা থাকার অর্থ ভারী ভাবের অনুভব হওয়া l আর লাড্ডু হলো একত্রিত এবং মিষ্টতার প্রতীক l

তিল দান -- দান করলে ভাগ্যের পরিবর্তন হয় l তাই বর্তমানের এই সঙ্গম যুগে পরমাত্মাকে নিজের ছোটো ছোটো দুর্বলতার দান করতে হবে l সৌভাগ্যের সূর্যের উদয় করতে হবে l

আগুন জ্বালানো -- আগুন সমস্ত জিনিসকে শুদ্ধ এবং পরিবর্তন করে l সন্ন্যাসী এবং যোগীরা যজ্ঞের আগুন প্রজ্জ্বলিত করে ঈশ্বরের আহ্বান করে, স্মরণ করে ঈশ্বরের, এতে কেবল তাদেরই জন্ম - জন্মান্তরের বিকর্ম ভস্ম হয় না তার সঙ্গে তাদের এই স্মরণের কিরণ সমগ্র বিশ্বকে শুদ্ধ করে শান্তি, পবিত্রতা, আনন্দ, প্রেম এবং শক্তির তরঙ্গ ছড়িয়ে দেয় l

আমরা যদি এই পর্বকে নিম্নলিখিত বিধির দ্বারা পালন করি তাহলে আমরাই কেবল প্রকৃত সুখের প্রাপ্তি করব না, সমগ্র বিশ্বকে দিতে পারব সুখের দান, হতে পারব পরমাত্মার আশীর্বাদের অধিকারী l

❤💛 আপনাদের সবাইকে জানাই মকর সংক্রান্তির শুভকামনা, জানাই পৌষ পার্বণের আন্তরিক শুভেচ্ছা l ঘরে ঘরে আনন্দের উৎসব হতে থাকুক l পবিত্র, শুদ্ধ হোক জগৎবাসী l 🙏
. !! ওম্ শান্তি !!

শুভ কামনা আমাদের জীবনে কি কি পরিবর্তন আনতে সক্ষম- RajyogaBD

শুভ কামনা বা শুভ চিন্তা আমাদের জীবনে কি কি পরিবর্তন আনতে সক্ষম .....

🌸 এই শুভ কামনা মানুষের জীবনে এক ঢালের মতো হয়ে দাঁড়ায় .....

🌼 শুভ কামনা বা ভাবনা অনুর্বর জমিতে ফসল ফলাতে সক্ষম l

🌼 শুভ কামনা অর্থহীন ব্যক্তিকে অর্থবান করে তোলার ক্ষমতা রাখে l

🌼 অসুস্থ শরীরকে শুভ কামনা সুস্থ করে তুলতে পারে l

🌼 শুভ কামনার দ্বারা মনের যে কোনো শুভ ইচ্ছা পূর্ণ হতে পারে l

🌼 শুভ কামনা বিরোধী মানুষদের সহযোগী বা বন্ধু করে তুলতে পারে l

🌼 আয়ু বৃদ্ধি করাবার ক্ষমতা রাখে l

🌼 শুভ কামনা একজন মানুষকে বিখ্যাত করে তুলতে পারে l

🌼 শুভ কামনা হালকা ভাব আর খুশির অনুভব করাতে পারে l

🌼 শরীরকে নীরোগী আর শক্তিশালী করে তুলতে সক্ষম l

🌼 শুভ কামনা ঘর, পরিবার এবং সমাজে মান - সম্মান প্রাপ্তি করাতে পারে l

🌼 এই শুভ কামনা হলো এক কবচের মতো l

🌼 যার কাছে এই শুভ কামনার শক্তি থাকে .....সে বিভিন্ন বাধাবিঘ্ন, গ্রহদোষ, বিপদ - আপদ , খারাপ প্রভাব, এমন বিভিন্ন নেগেটিভ শক্তির প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারে l

🌼 এই শুভ কামনার দ্বারা বৃষ্টি আনা সম্ভব l

🌼 শুভ কামনা প্রাকৃতিক বিপর্যয়কেও রোধ করতে সক্ষম l এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় আমাদের রক্ষা করতে সক্ষম l

🌼 এই শুভ কামনা পাপের হাত থেকে মুক্ত করে কোনো মানুষকে পূণ্যাত্মায় পরিণত করতে পারে l

😊😊 আমাদের অবশ্যই এই শুভ কামনা ঈশ্বরকে স্মরণ করে স্বচ্ছ, নির্মল আর পবিত্র হৃদয়ে করা উচিত l তাহলেই তা শীঘ্র ফলদায়ক হয়ে ওঠে l

🙏🙏 এই শুভ কামনার থেকে মূল্যবান আর কিছুই হয় না তাই অন্যের জন্য শুভ কামনা করো .....আর অপরের শুভ কামনায় নিজের ঝুলি পূরণ করো l ভাগ্য পরিবর্তনের এই একমাত্র উপায় l 👍🏻😊🌹

🙏🙏 ওম শান্তি ll 🙏🙏

🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷

বিঘ্ননাশক গনেশের মাহাত্ম কথা - RajyogaBD

বিঘ্ননাশক গনেশের মাহাত্ম কথা

মেডিটশন

রাজযোগ





শক্তি আর স্নেহ - RajyogaBD

শক্তি আর স্নেহ ⚡

বর্তমান সময়ে আত্মার অধিক প্রয়োজন হলো শক্তির l জন্ম - জন্মান্তর পার করে আত্মা অনেক বিকর্ম রূপী আবর্জনা একত্রিত করে ফেলেছে, যার ফলে আত্মা ভারী আর নির্বল হয়ে গেছে আর এই কারণেই আত্মা তার সর্বোচ্চ ক্ষমতা অনুসারে কার্য করতে পারে না l যখন আমরা আমাদের আন্তরিক স্রোতের সঠিক প্রয়োগ করতে সক্ষম হই, তখনই শক্তির প্রাপ্তি করি যার প্রভাবে আমরা ভগবানের নিকটে থাকতে সক্ষম হই তথা নিজের লক্ষ্যেও পৌঁছাতে পারি l মনকে সাধারণ, সাংসারিক, সংকুচিত বিচারে রাখা হলো সময় আর উর্জাকে নষ্ট করা l কেননা আত্মা এই প্রকারে নিজের সঙ্কল্প, শক্তি এবং শ্বাসকে ব্যর্থ নষ্ট করে আর পথভ্রষ্ট হয়ে পড়ে তথা ঈশ্বরের সাথও ছেড়ে দেয় l অন্যকে দোষ দেওয়া বা অভিযোগ করা তো এক বাহানা মাত্র l এ হলো আর এক ভুল যা আরো বেশী উর্জা আর শক্তির হ্রাস করে l

এখন এই ধরনের কাজ করার অধিক সময় নেই l এই বিষয়কে বোঝার চেষ্টা করুন যে আমাদের প্রত্যেকের শক্তির প্রয়োজন আর তা বৃদ্ধিরও প্রয়োজন l যেমন যেমন শক্তির বৃদ্ধি পাবে, তেমনই স্নেহও বাড়তে থাকবে l

☀☀☀☀☀☀☀☀☀☀

সূক্ষ্ম পাপ কি ❓RajyogaBD

😣😣😣😣😣😣😣😣

👽 সূক্ষ্ম পাপ কি ❓👽

💥 কারোর নিন্দা করা l
💥 কারোর সমন্ধে ভুল ধরনা পোষণ করা l
💥 কাউকে দুঃখ দেওয়া l
💥 কারোর সম্বন্ধে মিথ্যা অনুমান করা l
💥 কারোর প্রতি কুদৃষ্টি রাখা l
💥 কারোর সম্বন্ধে টিপ্পনী কাটা l
💥 কারোর ভাবনায় আঘাত দেওয়া l
💥 কারোর নিরাদর করা l
💥 কাউকে ব্যর্থ কথা শোনানো এবং শোনা l
💥 কাউকে কড়া কথা বলে আঘাত দেওয়া l

😊 মনকে ❤ এমন সমস্ত বিষয় থেকে মুক্ত রাখো, উদার রাখো ....❤❤

🙏 ওম শান্তি ll 🙏 🌺🌺

ড্রামার জ্ঞান আমাদের কিভাবে সাহায্য করে- RajYogaBD

ড্রামার জ্ঞান আমাদের কিভাবে সাহায্য করে

👌 ড্রামার জ্ঞান আমাদের অচল - অডল বানিয়ে দেয় l

👌 ফুলস্টপ দিতে সাহায্য করে l

👌 পজেটিভ হতে সাহায্য করে l

👌 সাক্ষী হতেও সাহায্য করে l

👌 ড্রামার জ্ঞান আমাদের নিশ্চিত হতেও সাহায্য করে l

👌 আমাদের সাহসী করে তোলে l

👌 আমাদের যে কোনো ঘটনা স্বীকার করে নেওয়ার ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে l

👌 আমাদের আসল ঘরের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় l

👌 একরস স্থিতি তৈরীতে সাহায্য করে l

👌 আমাদের ত্রিকালদর্শী করে দেয় l

👌 কর্মের গুহ্য রহস্য উন্মোচন করে l

👌 সঠিক কর্মের দিক নির্দেশ করে l

👌ক্ষমাশীল করে তোলে l

👌 আমাদের পুণ্য কর্মে প্রেরিত করে l

👌💥👌💥👌💥👌💥💥👌💥

আভামন্ডল - HUMAN AURA- RajYogaBD

🌀🌀 *🌀🌀 *আভামন্ডল* 🌀🌀
****************************

🔴 আভামন্ডল আমাদের সুরক্ষা চক্র, বিজ্ঞানের স্তরে সম্বোধন করার জন্য একে আমরা Antenna বলে সম্বোধিত করতে পারি l

🌀 পুরানো দিনে যেমন antenna তরঙ্গকে আকর্ষণ করে আমাদের টিভিতে পাঠাতো, আমাদের আভামণ্ডলেরও তেমনই কাজ l এই আভামন্ডল ব্রহ্মাণ্ডের তরঙ্গকে আকর্ষণ করে l

🌀 মন, আভামন্ডল এবং সূক্ষ্ম শরীর এ সব একই, কেবল আলাদা - আলাদা স্তরে নাম পৃথক l

🌀 আমাদের শরীরে তিনটি মুখ্য নাড়ি আছে --- ইরা, পিঙ্গলা এবং সুষুম্না l ইরা শরীরের বাম দিকে, পিঙ্গলা শরীরের দক্ষিণ দিকে আর সুষুম্না নাড়ি স্পাইনাল কর্ডের উপরে থাকে l শরীরের যে অংশে এই তিন নাড়ি মিলিত হয়, সেই জায়গায় চক্রের নির্মাণ হয় l এই তিন নাড়ি আমাদের শরীরের সাত জায়গায় মিলিত হয়, এই সাত জায়গায় আমাদের চক্র হয় l যেই চক্র ভারসাম্যহীন হয়, সেই চক্রের সম্বন্ধিত জায়গায় রোগ উৎপন্ন হয় l এই সাত চক্রের সুরক্ষার উর্জাকেই আভামন্ডল বলা হয় l

💥 এই আভামন্ডল পজেটিভ এবং নেগেটিভ তরঙ্গকে জমা করে, আপনি যেমন শব্দ শুনবেন তার আধারে আপনার আভামন্ডল পোষিত হবে অথবা ক্ষীণ হবে l এই আভামণ্ডলের বৃদ্ধি বা হ্রাসের কারণেই আপনার মধ্যে পজেটিভিটি বা নেগেটিভিটির পরিমাণ বাড়তে বা কমতে থাকে l

💥 সাধু - সন্তদের আভামন্ডল এমন বিকশিত হয় যে, তারা তাদের কাছে আসা নেগেটিভিটিকে পজেটিভিটিতে পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখেন l কিন্তু আমরা এমন করতে পারি না কারণ, আমাদের উর্জা প্রথম থেকে এমন পোষিত থাকে না যে সামনের নেগেটিভ তরঙ্গকে দূর করতে পারি বরঞ্চ সামনের জনের নেগেটিভ তরঙ্গ আমাদের আভামণ্ডলের ক্ষতি করতে পারে l আপনারা দেখে থাকবেন, সাধু - সন্তদের কাছে অনেকক্ষণ বসে থাকতে ইচ্ছা করে কারণ তাঁদের পজেটিভ তরঙ্গ আমাদের আকর্ষণ করে আর আমাদের আভামন্ডল বিকশিত হতে থাকে l তাই আমাদের মন সেখান থেকে উঠে আসতে চায় না আর এর বিপরীত স্বভাবের কোনো ব্যক্তি এলে আমাদের মন চায়, তিনি কখন চলে যাবেন l এর অর্থ আমাদের আভামন্ডল তার নেগেটিভ তরঙ্গের কারণে ক্ষীণ হতে থাকে আর তাই আমাদের মন তার উপস্থিতি চায় না l এই সমস্ত প্রক্রিয়া সূক্ষ্ম জগতে সম্পন্ন হয় l

💥 এমন বলা হয় যে, যে কোনো রোগের উৎপত্তি প্রথমে সূক্ষ্ম শরীরে হয়, তার অনেক পরে সেই রোগের লক্ষণ আমাদের স্থূল শরীরে প্রকাশ পায় কারণ সূক্ষ্ম শরীরের চক্র ভারসাম্যহীন হওয়ার ফলে সেই চক্র সম্বন্ধিত জায়গার রোগ স্থূল শরীরে প্রকাশ পায় l আমাদের আভামণ্ডলের সুরক্ষা ক্ষীণ হওয়ার কারণে চক্র ভারসাম্যহীন হয়ে যায় l আর আভামণ্ডলের সুরক্ষা ক্ষীণ হওয়ার কারণ নেগেটিভ তরঙ্গের প্রভাব তাই সর্বদা নিজেকে চেক করুন, আর নিজের মধ্যে কোনো নেগেটিভ শক্তির প্রভাব আসতে দেবেন না l


🌀 আমাদের আভামন্ডল ধ্যান করার কারণে, মন্ত্র জপের কারণে বা সাধনার কারণে বিকশিত হতে থাকে, আর ক্রোধ করা, মিথ্যা বলা, কারোর নিন্দা করা, মন্দ কর্ম করা, ব্রহ্মচর্য পালন না করা , কাউকে কষ্ট দেওয়া বা কোনো প্রাণীর প্রতি হিংসা করার কারণে অনেক ক্ষীণ হতে থাকে l

❤💚💛❤💚💛❤💚💛❤* 🌀🌀
****************************

🔴 আভামন্ডল আমাদের সুরক্ষা চক্র, বিজ্ঞানের স্তরে সম্বোধন করার জন্য একে আমরা Antenna বলে সম্বোধিত করতে পারি l

🌀 পুরানো দিনে যেমন antenna তরঙ্গকে আকর্ষণ করে আমাদের টিভিতে পাঠাতো, আমাদের আভামণ্ডলেরও তেমনই কাজ l এই আভামন্ডল ব্রহ্মাণ্ডের তরঙ্গকে আকর্ষণ করে l

🌀 মন, আভামন্ডল এবং সূক্ষ্ম শরীর এ সব একই, কেবল আলাদা - আলাদা স্তরে নাম পৃথক l

🌀 আমাদের শরীরে তিনটি মুখ্য নাড়ি আছে --- ইরা, পিঙ্গলা এবং সুষুম্না l ইরা শরীরের বাম দিকে, পিঙ্গলা শরীরের দক্ষিণ দিকে আর সুষুম্না নাড়ি স্পাইনাল কর্ডের উপরে থাকে l শরীরের যে অংশে এই তিন নাড়ি মিলিত হয়, সেই জায়গায় চক্রের নির্মাণ হয় l এই তিন নাড়ি আমাদের শরীরের সাত জায়গায় মিলিত হয়, এই সাত জায়গায় আমাদের চক্র হয় l যেই চক্র ভারসাম্যহীন হয়, সেই চক্রের সম্বন্ধিত জায়গায় রোগ উৎপন্ন হয় l এই সাত চক্রের সুরক্ষার উর্জাকেই আভামন্ডল বলা হয় l

💥 এই আভামন্ডল পজেটিভ এবং নেগেটিভ তরঙ্গকে জমা করে, আপনি যেমন শব্দ শুনবেন তার আধারে আপনার আভামন্ডল পোষিত হবে অথবা ক্ষীণ হবে l এই আভামণ্ডলের বৃদ্ধি বা হ্রাসের কারণেই আপনার মধ্যে পজেটিভিটি বা নেগেটিভিটির পরিমাণ বাড়তে বা কমতে থাকে l

💥 সাধু - সন্তদের আভামন্ডল এমন বিকশিত হয় যে, তারা তাদের কাছে আসা নেগেটিভিটিকে পজেটিভিটিতে পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখেন l কিন্তু আমরা এমন করতে পারি না কারণ, আমাদের উর্জা প্রথম থেকে এমন পোষিত থাকে না যে সামনের নেগেটিভ তরঙ্গকে দূর করতে পারি বরঞ্চ সামনের জনের নেগেটিভ তরঙ্গ আমাদের আভামণ্ডলের ক্ষতি করতে পারে l আপনারা দেখে থাকবেন, সাধু - সন্তদের কাছে অনেকক্ষণ বসে থাকতে ইচ্ছা করে কারণ তাঁদের পজেটিভ তরঙ্গ আমাদের আকর্ষণ করে আর আমাদের আভামন্ডল বিকশিত হতে থাকে l তাই আমাদের মন সেখান থেকে উঠে আসতে চায় না আর এর বিপরীত স্বভাবের কোনো ব্যক্তি এলে আমাদের মন চায়, তিনি কখন চলে যাবেন l এর অর্থ আমাদের আভামন্ডল তার নেগেটিভ তরঙ্গের কারণে ক্ষীণ হতে থাকে আর তাই আমাদের মন তার উপস্থিতি চায় না l এই সমস্ত প্রক্রিয়া সূক্ষ্ম জগতে সম্পন্ন হয় l

💥 এমন বলা হয় যে, যে কোনো রোগের উৎপত্তি প্রথমে সূক্ষ্ম শরীরে হয়, তার অনেক পরে সেই রোগের লক্ষণ আমাদের স্থূল শরীরে প্রকাশ পায় কারণ সূক্ষ্ম শরীরের চক্র ভারসাম্যহীন হওয়ার ফলে সেই চক্র সম্বন্ধিত জায়গার রোগ স্থূল শরীরে প্রকাশ পায় l আমাদের আভামণ্ডলের সুরক্ষা ক্ষীণ হওয়ার কারণে চক্র ভারসাম্যহীন হয়ে যায় l আর আভামণ্ডলের সুরক্ষা ক্ষীণ হওয়ার কারণ নেগেটিভ তরঙ্গের প্রভাব তাই সর্বদা নিজেকে চেক করুন, আর নিজের মধ্যে কোনো নেগেটিভ শক্তির প্রভাব আসতে দেবেন না l


🌀 আমাদের আভামন্ডল ধ্যান করার কারণে, মন্ত্র জপের কারণে বা সাধনার কারণে বিকশিত হতে থাকে, আর ক্রোধ করা, মিথ্যা বলা, কারোর নিন্দা করা, মন্দ কর্ম করা, ব্রহ্মচর্য পালন না করা , কাউকে কষ্ট দেওয়া বা কোনো প্রাণীর প্রতি হিংসা করার কারণে অনেক ক্ষীণ হতে থাকে l

❤💚💛❤💚💛❤💚💛❤