'পরিস্থিতি' পরের জিনিস

*অাজকের মিষ্টি মোতি*💧

১৯ শে আগস্ট :-- *'খুশী' হলো নিজের জিনিস আর 'পরিস্থিতি' পরের জিনিস, তাই নিজের জিনিসকে কখনোই হারিয়ে যেতে দিও না ।*

🙏🙏 ওম শান্তি 🙏🙏

🌹🌹ব্রহ্মাকুমারীজ 🌹🌹

💧💧💧💧💧💧💧💧💧

একাগ্রতার সঙ্গে মুরলী পড়ো, শোনো

মুরলী হলো লাঠি, এই লাঠির আধারে যে কেউই হোক না কেন, সে ভরপুর হয়ে যাবে ----এই আধারই নিজের ঘর পর্যন্ত, নিজের রাজ্য পর্যন্ত পৌঁছে দেবে কিন্তু তা লক্ষ্যের দ্বারা, নিয়মপূর্বক নয়, কিন্তু একাগ্রতার সঙ্গে, তাই একাগ্রতার সঙ্গে মুরলী পড়ো অথবা শোনো, অর্থাৎ মুরলীধরের একাগ্রতায় থাকো ---মুরলীধরের প্রতি স্নেহের নিদর্শন হলো 'মুরলী', মুরলীর প্রতি যতটা স্নেহ থাকবে, মনে করো ততটাই মুরলীধরের প্রতি স্নেহ থাকবে, প্রকৃত ব্রাহ্মণের পরিচিতি মুরলীর দ্বারাই হবে, মুরলীর প্রতি একাগ্রতা অর্থাৎ প্রকৃত ব্রাহ্মণ, মুরলীর প্রতি একাগ্রতা কম অর্থাৎ অর্ধেক ব্রাহ্মণ ।*

🌹🌹 *অব্যক্ত মুরলী ২৩ - ১০ - ১৯৭৫*

আনন্দ কখনো বাইরে থেকে আসে না

🙏ওম শান্তি 🙏

*প্রতিটি আত্মা স্বয়ং সর্বজ্ঞ এবং আনন্দময় -----আনন্দ কখনো বাইরে থেকে আসে না, কোনো ব্যক্তি অথবা বস্তুর থেকেও প্রাপ্ত করা যায় না ----বাইরের দুনিয়ায় আনন্দের খোঁজ করাই হলো সবথেকে বড় দুঃখের কারণ ।*

🌻🌻 *বি.কে.সিস্টার শিবানী*🌻🌻

🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀🧚‍♀

ক্রোধও মুখ পর্যন্তই থাকা উচিত, হৃদয়ে নয়

১৩ ই আগস্ট, ২০১৯

✨🌹✨অাজকের প্রেরণা ✨🌹✨

*সম্পর্ক মন থেকে হওয়া উচিত, কেবল কথায় নয়, তেমনই ক্রোধও মুখ পর্যন্তই থাকা উচিত, হৃদয়ে নয় ।*

🌹🌹 *আজ থেকে আমরা যেন মন থেকে সবাইকে ভালোবাসতে পারি -----*

☘☘মধুবন ☘☘

☀❣☀❣☀❣☀❣☀❣☀

শিব এবং শঙ্করের মাঝে পার্থক্য কি

শিব এবং শঙ্করের মাঝে মহান অন্তর*💥

*অতি সূক্ষ্ম চৈতন্য, নিরাকার, বিন্দুরূপ, অজন্মা শিব পরমাত্মা, এই পুরুষোত্তম সঙ্গম যুগে এসে সাকার মনুষ্য ব্রহ্মা তনে প্রবেশ করে শিব এবং শঙ্করের মাঝের অন্তরকে স্পষ্ট করেছেন ।*

*শঙ্কর হলেন সেই আত্মাদের প্রতীক, যারা সদা এক নিরাকার জ্যোতিস্বরূপ শিব পরমাত্মার ধ্যানে মগ্ন থাকেন । যারা ত্রিনেত্রী শিব পরমাত্মার দ্বারা দিব্য বুদ্ধি রূপী তৃতীয় নয়ন প্রাপ্ত করেন । যারা এই সংসারে থেকেও বৈরাগ্য বৃত্তিতে থাকেন । পাঁচ বিকার রূপী সাপের প্রভাব যাদের উপর কখনোই পড়ে না । যে আত্মারা শান্তি, পবিত্রতা এবং জ্ঞানের সাগর বিন্দু রূপ শিব পরমাত্মা পিতার থেকে প্রবাহিত পতিত - পাবনী জ্ঞান গঙ্গাকে নিজের বুদ্ধি রূপী জটাতে ধারণ করে সেই পবিত্র জ্ঞানের ধারা সমস্ত বিশ্বে প্রবাহিত করেন ।*

*নিরাকার শিববাবা, তপস্বী শঙ্কর অর্থাৎ আমাদের, সকাশের শক্তিশালী তরঙ্গের দ্বারা জ্ঞানের তৃতীয় নেত্র দান করছেন । অনেক জন্মের তপস্যা করে শিব ভগবানকে খুঁজতে থাকা সমস্ত শিব ভক্তদের জন্য ভোলানাথ শিববাবা এই ধরণীতে অবতরিত হয়েছেন । আর সমস্ত ভক্ত নিজের প্রিয় পিতার সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য মধুবনের দিকে ধাবিত হচ্ছেন ।*

সূর্যবংশী দেবতাদের গুণ

সূর্যবংশী দেবতাদের গুণ*🌹🌹

🌸🌸 *পবিত্রতা*
🌸🌸 *অন্তর্মুখতা*
🌸🌸 *সহনশীলতা*
🌸🌸 *হর্ষিতমুখতা*
🌸🌸 *সন্তুষ্টতা*
🌸🌸 *সরলতা*
🌸🌸 *নম্রতা*
🌸🌸 *নির্ভয়তা*
🌸🌸 *নির্মাণতা*
🌸🌸 *নিমিত্তভাব*
🌸🌸 *নিশ্চিন্ত ভাব*
🌸🌸 *অহিংসা*
🌸🌸 *কামনা শূন্য ভাব*
🌸🌸 *নিরহংকারী*
🌸🌸 *পরোপকারী*
🌸🌸 *অটল নিশ্চয়*
🌸🌸 *মধুরতা*

🤴🤴🤴🤴🤴🤴🤴🤴🤴

অথচ ঈশ্বরের কোনো দোষ নেই

আমাদের জীবনের দুঃখের জন্য কে দায়ী ?*

👉 *না ভগবান*

👉 *না গ্রহ - নক্ষত্র*

👉 *না ভাগ্য*

👉 *না আমাদের আত্মীয় - স্বজন*

👉 *না পাড়া - প্রতিবেশী*

👉 *না সরকার*

👉 *দায়ী আমরা স্বয়ং*

😔 *আমাদের মাথার যন্ত্রণা ----আমাদেরই অপ্রয়োজনীয় বিচারের বা চিন্তার পরিণাম l*

😔 *পেটে ব্যথা, আমাদের ভুল খাদ্যাভ্যাসের পরিণাম*

😔 *ধারদেনা হলো প্রয়োজনের বেশী খরচ করার পরিণাম*

😔 *আমাদের দুর্বল বা মোটা শরীর, বিভিন্ন রোগ ---আমাদের উশৃঙ্খল জীবনযাত্রার পরিণাম*

😔 *আমাদের কোর্ট কেস আমাদের অহংকারের পরিণাম*

😔 *আমাদের বিবাদ - ঝগড়া ----বেশী ব্যর্থ কথা বলার পরিণাম*

*উপরিউক্ত কারণ ছাড়াও আরো অনেক কারণে আমাদের জীবনে নানা অশান্তির সৃষ্টি হয়, অথচ আমরা এরজন্য ঈশ্বরকে দোষ দিয়ে থাকি অথবা অন্য কাউকে l*

*এতে ঈশ্বরের কোনো দোষ নেই l*

🙏ওম শান্তি 🙏

♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥

খুব সুন্দর একটি গল্প

খুব সুন্দর একটি গল্প

*এক মহিলা তার নিত্য কাজ সেরে রোজ মন্দিরে যেতেন ------একদিন তিনি সেই মন্দিরের পুরোহিতকে বললেন ------ আমি আর এখন থেকে মন্দিরে আসবো না l এই কথা শুনে পূজারী জিজ্ঞেস করলেন ---কেন তিনি মন্দিরে আসবেন না ??*

*মহিলা বললেন ---- আমি লক্ষ্য করি যে মানুষ মন্দিরে এসে ফোনে অন্য কারোর সঙ্গে কথা বলে -----ব্যবসার কথা বলে ----কেউ কেউ আবার মন্দিরে এসে সংসারের নানা গল্প করে ---কেউ আবার মন্দিরকে গল্প করার জায়গা মনে করে l তারা মন দিয়ে পুজো করে না ---কেবলমাত্র দেখানোর জন্য আসে l*

*এই কথা শুনে পূজারী কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন ------আপনার কথা সঠিক কিন্তু আপনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমার কথায় কিছু করতে পারবেন কি ?*
*মহিলা বললেন ---আপনি বলুন কি করতে হবে ? পূজারী বললেন ----আপনি দুটি গ্লাস ভর্তি জল নিয়ে দুবার এই মন্দির পরিসর পরিক্রমা করুন, শর্ত একটাই, গ্লাস থেকে জল পড়ে যাওয়া চলবে না l*

*মহিলা বললেন ----এ আবার এমন কি কথা ? আমি এখনই করে দেখাচ্ছি l মহিলা সেই কাজ করেও দেখালেন l এরপর সেই মন্দিরের পূজারী মহিলাকে তিনটি প্রশ্ন করলেন ------*

১) *আপনি কি পরিক্রমা করার সময় কাউকে ফোনে কথা বলতে শুনেছেন ?*

২) *আপনি কি মন্দিরে কাউকে গল্প করতে দেখেছেন ?*

৩ ) *আপনি কি কাউকে হাসিঠাট্টা করতে দেখেছেন ?*

*উত্তরে মহিলা বললেন ----আমি কিছুই লক্ষ্য করি নি l*

*তখন পূজারী বললেন ---আপনি যখন পরিক্রমা করছিলেন , তখন আপনার মন সম্পূর্ণ গ্লাসের প্রতি ছিলো যাতে গ্লাসের থেকে জল পড়ে না যায়, তাই আপনি কিছুই দেখতে পান নি l তাই এখন থেকে আপনি যখনই মন্দিরে আসবেন, আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ ঈশ্বরের প্রতিই রাখবেন, তাহলে আপনার অন্য কিছুই নজরে আসবে না l সর্বত্রই সেই ভগবানকেই নজরে আসবে l*
*যেমন ভাবনা আপনি রাখবেন -----আপনার দৃষ্টিও তেমনই হবে l*

গীতা জ্ঞানের আধ্যাত্মিক রহস্য ১১২

🌻 ON GODLY SERVICE

📚 গীতা জ্ঞানের আধ্যাত্মিক রহস্য 📚

✨ THE GREAT GEETA ✨

📝NO * ১১২

🌴 ধর্মক্ষেত্র এবং কুরুক্ষেত্রের বর্ণনা 🌴

🌟 ত্রয়োদশ, চতুর্দশ এবং পঞ্চদশ অধ্যায়
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴

🔵 সবথেকে প্রথম প্রকারের সংস্কার হলো প্রকৃত বা আসল সংস্কার l আসল সংস্কার হলো সতোগুণী সংস্কার l আত্মা যখন অব্যক্ত থেকে ব্যক্ত রূপে এই সংসার ক্ষেত্রে আসে, অর্থাৎ পরমধাম থেকে প্রথমবার সাকারী দুনিয়ায় আসে, তখন সেই সময় তার সতোগুণী সংস্কার থাকে, যা হলো আত্মার সাত গুণ ( জ্ঞান, প্রেম, পবিত্রতা, সুখ, শান্তি, আনন্দ আর শক্তি ) l সেইসময় আত্মা সাত গুণে ভরপুর অর্থাৎ আত্মার ব্যাটরি সম্পূর্ণ চার্জ থাকে l এই হলো আত্মার প্রকৃত সংস্কার l কিন্তু এই সংসারে আসার পর আত্মা ধীরে ধীরে তার বাস্তবিকতা থেকে দূরে যেতে থাকে, আর এই সংসারের নানা বিষয়ের বশীভূত হতে শুরু করে l সাত গুণে ভরপুর যে সংস্কার তাও ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে আর এই দুনিয়ার কু পরিবেশের আধারে তার সংস্কার প্রভাবিত শুরু করে l আত্মার কর্ম তখন বিশেষ করে অজ্ঞানতা এবং অহংকারের আধারেই হতে থাকে l আর এই কারণেই আত্মার ভিতরে এই ধরনের সংস্কার বিকশিত হতে থাকে l

🔵 দ্বিতীয় প্রকারের সংস্কার হলো পুনর্জন্মের সংস্কার l বিভিন্ন আত্মা বিভিন্ন পরিবার বা পরিবেশ থেকে আসার কারণে সেখানকার সংস্কারও তাদের মধ্যে এসে যায়, এবং সেই সংস্কারের প্রভাব তাদের কর্মে প্রতিফলিত হয় l অনেক সময় দেখা যায়, কোনো তিন বছরের বাচ্চা অথচ কম্প্যুটার চালাতে জানে বা কোনো পাঁচ বছরের বাচ্চা অথচ শাস্ত্রের শ্লোক বলতে জানে, তখন মানুষ বলে, পূর্ব জন্মের সংস্কার উদয় হয়েছে l এ কি কেবল তাদের মধ্যেই উদয় হয়েছে, অন্য কারোর মধ্যে নেই ? সংস্কার সকলের মধ্যেই থাকে কিন্তু ইনটেনসিটিতে তফাত হয় l কারোর কারোর মধ্যে তীব্র ইনটেনসিটিতে তা প্রকট হয় l যার প্রভাব স্পষ্ট রূপে দেখা যায় l আবার কারোর মধ্যে স্লো ইনটেনসিটিতে তা প্রকট হয় l তখন তা দেখা যায় না, কিন্তু মাঝে মাঝে বর্তমানের কর্মে সেই সংস্কারের প্রভাব অবশ্যই এসে যায় l কখনো মানুষ নিজেই বুঝতে পারে না যে আমি এমন কেন করছি ?

👉 কেমনভাবে পূর্বজন্মের সংস্কার মাঝে মাঝে জীবনে প্রবেশ করে তা এক আসল কাহিনীর মাধ্যমে বর্ণনা করব l ক্রমশ: ...........

রাম নবমীর আধ্যাত্মিক রহস্য ?

🏹🏹🌹🌹🏹🏹🌹🌹

🌻🍂 রাম নবমীর আধ্যাত্মিক রহস্য 🏹

☀ রাম নবমী পর্ব হিন্দু ধর্মে এক অতি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব, যা কিনা চৈত্র মাসের নবমী তিথিতে পালন করা হয় l কথিত আছে যে ত্রেতা যুগে এই দিন অযোধ্যার রাজা দশরথের ঘরে, তার প্রথম সন্তান এবং সেই রাজ্যের ভাবী রাজা শ্রী রামচন্দ্রের জন্ম হয়েছিলো l

☀ পরমাত্মা শিব স্বয়ং পুরুষোত্তম সঙ্গম যুগে এই রহস্যের উদঘাটন করে বলেছেন যে,এই সৃষ্টিচক্র ৫০০০ বছরের, যাতে চারটি যুগ আছে -- সত্যযুগ, ত্রেতাযুগ, দ্বাপরযুগ এবং কলিযুগ l এই চার যুগের প্রতিটি যুগের সময় ১২৫০ বছর করে l সত্যযুগ এবং ত্রেতাযুগে এই ভারতে স্বর্গরাজ্য ছিলো, যার স্থাপন স্বয়ং নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মা শিববাবা প্রজাপিতা ব্রহ্মার মাধ্যমে এই কলিযুগের ছোটো যুগ সঙ্গমযুগে ব্রাহ্মণ ধর্ম স্থাপনের মাধ্যমে করেছিলেন l ব্রহ্মার মাধ্যমে তিনিই গীতা জ্ঞান দিয়েছিলেন, যার দ্বারা ব্রাহ্মণদের উন্নতি হয়েছিলো l এর মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল নরককে স্বর্গে পরিণত করা অথবা মানুষকে নর থেকে নারায়ণ বা নারী থেকে লক্ষ্মীতে পরিণত করা l এই রাজযোগের জ্ঞানের দ্বারাই বিশ্বে সত্য ধর্মের স্থাপনা হয়েছিলো, যা আবার এখন হতে চলেছে l সত্যযুগ আর ত্রেতাযুগে ভারত স্বর্গ ছিলো, সেইসময় সূর্যবংশী এবং চন্দ্রবংশী রাজত্ব ছিলো আর লক্ষ্মী - নারায়ণ এবং রাম - সীতার সাম্রাজ্য ছিলো l সত্যযুগে আট জন্ম আর ত্রেতাযুগে বারো জন্ম ছিলো l এইপ্রকারে লক্ষ্মী - নারায়ণের আটটি প্রজন্ম চলেছিল, তারপর রামের জন্ম হয়েছিলো l যেহেতু রামের জন্ম নারায়নের আট জন্মের পরে হয়েছিলো সেই কারণে রামের জন্মদিনকে রাম নবমী বলা হয় l

🏹 এছাড়া শ্রীরামের হাতে ধনুক আর তীর দেখানোর অর্থ হলো যেহেতু চন্দ্রবংশী রাজ্যে ১৪ কলা ছিলো তাই এই রাজত্ব সূর্যবংশী শ্রীলক্ষ্মী - নারায়ণের সমান গুণ বা কলায় সম্পন্ন ছিলো না l এই কারণেই স্বয়ংবরের পূর্বে শ্রীলক্ষ্মী - শ্রীনারায়ণ যাঁরা রাধা - কৃষ্ণ ছিলেন, তাঁদের যে মহিমা ছিলো সেই একই মহিমা রাম - সীতার ছিলো না l তাই শ্রীকৃষ্ণকে দোলায় দোলানো হয় কিন্তু রামকে তা করা হয় না l বর্তমান সময়ে পরমপিতা পরমাত্মা শিববাবা মানুষ থেকে দেবতায় রূপান্তরিত করানোর জন্য সহজ রাজযোগের শিক্ষা দিচ্ছেন, এই গায়নও আছে যে মানুষ থেকে দেবতা বানানো কোনো মুশকিল কাজ নয় l তাই এই ঈশ্বরীয় পড়ার একমাত্র লক্ষ্য হলো ঈশ্বরের স্মরণ বা জ্ঞানের দ্বারা শ্রীলক্ষ্মী বা শ্রীনারায়ণের মতো নিজেকে তৈরী করা, যার মহিমায় গাওয়া হয় -- সর্বগুণ সম্পন্ন, ১৬ কলা সম্পূর্ণ, সম্পূর্ণ নির্বিকারী, মর্যাদা পুরুষোত্তম l যা একমাত্র পরমপিতা পরমাত্মা শিবের শ্রীমতের সম্পূর্ণ পালনের দ্বারাই সম্ভব l কিন্তু তার আগে রামের মতো হতে হবে, অর্থাত্ স্বর্ণ যুগের আগে নিজেকে রৌপ্যযুগের মতো বানাতে হবে, যার চিহ্ন হিসেবে পরমপিতা পরমাত্মা শিববাবা বলেছেন যে সমস্ত কর্মেন্দ্রিয়ের চঞ্চলতা সমাপ্ত হয়ে যাবে l এই পুরুষার্থ সূর্যবংশী সাম্রাজ্যে উচ্চ পদ পাবার জন্য যা কিনা ঈশ্বরীয় জ্ঞান, যোগ ( স্মরণের যাত্রা ), দৈবী গুণের ধারণা আর ঈশ্বরীয় সেবার দ্বারাই সম্ভব, এই ত্রেতা
যুগের রাম রাজ্যের কল্পনা গান্ধীজীও করেছিলেন, তাই আসুন, আমরা সকলে সেই রাম রাজ্য আর তার থেকেও শ্রেষ্ঠ লক্ষ্মী - নারায়ণের রাজ্যে যাবার পুরুষার্থ করি l আত্মার যে রাম তাঁকে আমরা স্মরণ করি, বাবার জ্ঞানকে ধারণ করে, শ্রীলক্ষ্মী - শ্রীনারায়ণ আর শ্রীরাম - শ্রীসীতার সেই স্বর্গরাজ্যের স্থাপনার কাজে পরমপিতা পরমাত্মা শিববাবার সহযোগী হই l আপনাদের সকলকে শ্রীরাম নবমীর আন্তরিক শুভ কামনা জানাই l

🙏 ওম্ শান্তি 🙏🌹🌹

#রাম নবমীর ব্যাখ্যা

রাম, সীতা, হনুমান এবং রাবণ কে ?- আধ্যাত্মিক রহস্য কি?

💥💥💥💥💥💥💥💥💥

প্রশ্ন :- *রাম, সীতা, হনুমান এবং রাবণ কে ?*

*এর আধ্যাত্মিক রহস্য কি ?*

১ ) *রাম* :- বাস্তবে রাম হলেন নিরাকার শিব যিনি সঙ্গম যুগে এই ধরায় অবতরিত হয়ে নিজের হারিয়ে যাওয়া সীতাকে ( সত্যযুগী আত্মা ) রাবণের ( বিকারের ) শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে এসেছেন l

*সীতা* :- আত্মারা, যাদের প্রকৃত স্বরূপ পবিত্রতা, কিন্তু রাবণের শৃঙ্খলে ফেঁসে যাওয়ার কারণে এখন দুঃখী আর অপবিত্র হয়ে গেছে l

*রাবণ* :- পতিত এবং বিকার যুক্ত চিন্তা বা ধারণাই হলো রাবণ, যাতে এখন সমস্ত আত্মাই আক্রান্ত l ফলে আত্মিক গুণ হারিয়ে তারা নিজেদের ভুলে গেছে l চেতনায় বিকার জাগ্রত হওয়ার কারণে তাদের বুদ্ধি রাবণ তুল্য অর্থাৎ পাথর বুদ্ধি সম্পন্ন হয়ে গেছে l পাঁচ মুখ্য বিকার পুরুষের আর পাঁচ মুখ্য বিকার স্ত্রীর ---- এই কারণে রাবণের দশ মাথা দেখানো হয় l

*হনুমান* :-- -বাস্তবে সেই প্রথম আত্মা (ব্রহ্মা বাবা ), যিনি এই ধরায় অবতরিত পরমাত্মাকে প্রথম চিনতে পেরেছিলেন l তারসঙ্গে আরো অনেক আত্মা যারাও পরমাত্মা ( রাম ) এবং তাঁর কার্যকে চিনতে এবং জানতে পেরে অন্য আত্মাদের ( সীতা ) কাছে সেই সন্দেশ পৌঁছে দিয়েছিলেন এবং তাদেরও উদ্ধারের নিমিত্ত হয়েছিলেন l

*বানর সেনা* :- বাইরে থেকে সাধারণ মনে হওয়া সেইসব মনুষ্য আত্মা, যারা ঈশ্বরকে ( রাম ) চিনে, নিজেদের সংস্কারের পরিবর্তনের দ্বারা, পুরানো দুনিয়া অর্থাৎ রাবণ রাজ্যকে (পতিত চিন্তায় আধারিত যে দুনিয়া ) সমাপ্ত করাতে ঈশ্বরের ( রামের ) সাথ দিয়েছিলেন l সংসারের সেই তেত্রিশ কোটি আত্মাই হলো *বানর সেনা l*

*লঙ্কা* :- পুরানো পতিত দুনিয়া, যেখানে প্রতিটি কাজ দেহভাবের ( body consciousness ) সঙ্গে করা হয় l এই হলো রাবণ নগরী *লঙ্কা l*

💥💥💥💥💥💥💥💥💥

পরিবর্তনের রহস্য কি ?

☀❣☀❣☀❣☀❣☀❣

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮

✨❣✨আজকের প্রেরণা ✨❣✨

*পরিবর্তনের রহস্য হলো -- নিজের শক্তি (উর্জা/এনার্জি) নতুন নির্মাণে লাগানো, নাকি পুরানোর সঙ্গে সংঘর্ষ করে নষ্ট করা l*

✨✨ *আজ থেকে আমরা যেন নতুন নির্মাণের দ্বারা পুরানোকে পরিবর্তন করতে পারি -----*

🌹🌹মধুবন 🌹🌹

☀❣☀❣☀❣☀❣☀❣
রাজযোগ

শিবলিঙ্গ এর উপর অঙ্কিত তিন রেখা এবং বেলপাতার রহস্য ------

শিবলিঙ্গের উপর অঙ্কিত তিন রেখা এবং তিনপাতা যুক্ত বেলপাতার রহস্য ------
💐💐💐💐💐💐💐💐💐

শিবলিঙ্গে সবসময় তিনটি রেখা অঙ্কিত থাকে এবং তিনপাতা যুক্ত বেলপাতা অর্পণ করা হয় | বাস্তবে পরমাত্মা শিব ত্রিমূর্তি অর্থাৎ ব্রম্মা --- বিষ্ণু --- শংকরের রচয়িতা | তিনি করণকরায়নহার অর্থাৎ করিয়ে দেন | ব্রম্মার দ্বারা সত্যযুগী দৈবী সৃষ্টি স্থাপন করান , শংকরের দ্বারা আসুরী সৃষ্টি বিনাশ করান এবং বিষ্ণুর দ্বারা সত্যযুগী দৈবী সৃষ্টি পালন করান | পরমাত্মা এই সৃষ্টিতে যখন অবতরণ করেন তখন এই দেবতার কার্য সূক্ষলোকে আরম্ভ হয় | অতএব শিবজয়ন্তী মানে ব্রম্মা --- বিষ্ণু -- শংকর জয়ন্তী তথা গীতা - জয়ন্তী ও বটে কারণ ভগবান শিব অবতরণ করে গীতাজ্ঞানও শোনাতে শুরু করেন |

দি একাডেমী ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড